আর্কাইভ কনভাটার ঢাকা, বুধবার, জুন ১৯, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Logo

Cyclone Remal

বাগেরহাটে বেড়েছে নদ-নদীর পানি

Bijoy Bangla

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৪, ০৭:৫৯ পিএম

বাগেরহাটে বেড়েছে নদ-নদীর পানি
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বাগেরহাটের বিভিন্ন নদ নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। ....সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বাগেরহাটের বিভিন্ন নদ নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। রোববার (২৬ মে) দুপুর থেকে জোয়ারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার নদ-নদীর পানি সর্বোচ্চ পাঁচ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড় যদি সন্ধ্যায় আঘাত হানে তখন নদীতে ভাটি থাকায় জলোচ্ছ্বাসের বড় ক্ষতির শঙ্কা কম। তবে ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগেই অতি জোয়ারে জেলা সদর, মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা, মোংলা ও রামপাল উপজেলার নদীর তীরবর্তী অসংখ্য গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

শরণখোলার পশ্চিম রাজৈর এলাকার বাসিন্দা সুমন হোসেন বলেন, দুপুরের দিকে জোয়ারের পানি আমাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। বাড়ির উঠানে পানি থৈ থৈ করছে। এ অবস্থায় যদি ভারী বৃষ্টিপাত হয় তাহলে পানি নামতে না পেরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। 

বাগেরহাট পৌরসভার নাগেরবাজার এলাকার মাসুম হাওলাদার বলেন, দুপুরে অস্বাভাবিক জোয়ার এসে নাগেরবাজার এলাকার বিভিন্ন রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের ঘরেও পানি উঠেছে। রান্নাবান্না করতে না পেরে এলাকার অনেকেই দোকান থেকে শুকনো খাবার কিনে খেয়েছেন। 

মোড়েলগঞ্জ উপজেলার শাহিন সরদার বলেন,  পানগুছি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে মোড়েলগঞ্জ পৌর এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মোরেলগঞ্জ বাজারের কাপুরিয়া পট্টি, চালপট্টি ও স্বর্ণকার পট্টিসহ বিভিন্ন স্থানে এখনো পানি প্রবেশ করছে। 

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল-বিরুনী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রধান প্রধান নদ নদীর পানি রোববার দুপুরে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সবচেয়ে বেশি পানি বেড়েছে জেলার মোংলা উপজেলার পশুর নদে। মোংলা বন্দরের এই নদে দুপুরে বিপৎসীমার ৫ ফুট ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। আর বলেশ্বর ও ভৈরব নদে বিপৎসীমারর দুই থেকে তিন ফুট ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।


google.com, pub-6631631227104834, DIRECT, f08c47fec0942fa0