আর্কাইভ কনভাটার ঢাকা, বুধবার, জুন ১৯, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Logo

Educational institutions are closed

রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

Bijoy Bangla

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:৪৬ পিএম

রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা। __বিজয় বাংলা ফাইল ছবি

তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়া ২১ ও ২২ জানুয়ারি রাজশাহীর মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও ২১ জানুয়ারি রাজশাহীর সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজশাহী শিক্ষা কর্মকর্তারা বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

রাতে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ড. শরমিন ফেরদৌস চৌধুরী।

আদেশে তিনি উল্লেখ করেছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের হতে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক আগামী ২১ ও ২২ জানুয়ারি রাশাহী জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রীর নিচে থাকবে। ফলে এ দুইদিন রাজশাহী জেলার সকল মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হল।

এদিকে, রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান, রোববার একদিনের জন্য পাঠদান বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তবে অফিস খোলা থাকবে। রোববার আবহাওয়ার দেখে আবারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজশাহীতে একদিনে তাপমাত্রা কমেছে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে উত্তরের এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় মোড়া রয়েছে প্রকৃতি। বইছে হিমেল হাওয়া। ফলে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শহরে কমে গেছে মানুষের চলাচল। বেলা গড়ালেও কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে যানবাহন।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক রাজীব খান জানান, গত ১৩ জানুয়ারি রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পর শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিন শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


তিনি আরও জানান, শুক্রবার কুয়াশার মতো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে কুয়াশা কেটে গিয়ে তাপমাত্রা একটু বেড়েছিল। শনিবার আবার ঘন কুয়াশা পড়েছে। ফলে তাপমাত্রাও কমে গেছে। পুরো জানুয়ারি জুড়েই এমন আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৬টায় ৯ দশমিক ৭ ও সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ।

জানা গেছে, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম ও চা বাগানে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূলরা। বিশেষ করে চা বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালবেলা কাজে বের হতে দেখা গেছে চা শ্রমিকদের।

বিপ্লব দাশ বলেন, আজ শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাপমাত্রা কম থাকলেও কমলগঞ্জে সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে হিমেল বাতাস।

google.com, pub-6631631227104834, DIRECT, f08c47fec0942fa0