আর্কাইভ কনভাটার ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ২১০, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Logo

Actress Parimani

এখনও অসুস্থ রাজ্য, চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন পরীমণি

Bijoy Bangla

অনলাইন ডেস্ক:

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:০৯ পিএম

এখনও অসুস্থ রাজ্য, চিকিৎসার জন্য  ভারতে গেছেন পরীমণি

 রাস্তার ফল খেয়ে ছেলে রাজ্য এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যাপক অসুস্থ হয়ে পড়েন পরীমণি। ভর্তি হন হাসপাতালে। বর্তমানে নায়িকার পরিবারের সদস্যরা সুস্থ হলেও এখনও অসুস্থ রাজ্য। শারীরিকভাবে সুস্থ নন পরীমণি নিজেও। তাই এবার ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে গেলেন এই নায়িকা।

ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা সাত দিন থাকার পরও সুস্থ না হওয়ায় ছেলেকে নিয়ে ভারতে গেছেন পরীমণি।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

জানা গেছে, গেল সপ্তাহে ছেলে রাজ্যকে সঙ্গে নিয়ে নানার বাড়ি ঘুরতে গিয়েছিলেন পরীমণি। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে রাস্তায় ফল কিনে খান রাজ্য, পরীমণি, পরিবারের সদস্যরাসহ চিত্রনায়িকার গাড়ি চালক। আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। ফলগুলো খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা।

পরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন তারা। অসুস্থ হওয়ার খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছিলেন পরীমণি। পাশাপাশি রাস্তার ফল কিনে খাও্যা ব্যাপারে সবাইকে সাবধানও করেন এই নায়িকা। গত ১১ জানুয়ারি থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এ নায়িকা।

ফেসবুকের স্ট্যাটাসে পরীমণি লিখেচ্ছিলেন, ‘শীতকালে সবাই খাবার-দাবার বুঝে খাবেন। বিশেষ করে বাইরের খাবার। এতো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস শীতের সময় এসব থেকে সেফ থাকা মুশকিল। বরিশাল থেকে ফেরার পথে একটা ফলের দোকান থেকে কিছু ফল কিনেছিলাম। বাসায় ফল খাওয়ার আগে রেগুলার যেভাবে ক্লিন করা হয় সেভাবে না করেই শুধু মিনারেল ওয়াটার দিয়ে ধুয়ে খেয়েছিলাম।

বাবু খুবই অল্প পরিমাণ মানে দুই একটা বাইট নিয়েছিল। ব্যাস! বাচ্চা, আমি, আমার গাড়ি চালকসহ আমার বাসার মোট পাঁচ জন ফুড পয়জনিং নিয়ে ১১ তারিখ রাত থেকে হাসপাতালে।’

প্রসঙ্গত, স্বামীর রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের পর পরীমণির দুনিয়া এখন রাজ্য। বলা যায়, রাজ্যকে ঘিরেই তার সব। কাজের বাইরে পুরো সময়টা ছেলেকেই দেন এই নায়িকা। রাজ্যর বাবা-মা বলতে এখন পরীমণিই। সংসার ভাঙার পর থেকে ছেলের দেখাশুনা একাই করছেন তিনি।

google.com, pub-6631631227104834, DIRECT, f08c47fec0942fa0