
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নিশীপের টাকা জোরপূর্বক (প্রত্যেক শিক্ষার্থীর থেকে এক হাজার টাকা) নেয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। টাকা উত্তোলনের সাথে জড়িত নয় ছাত্রলীগ।
সংবাদকর্মী টাকা উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ মল্লিক জানান, টাকা উত্তোলনের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায় সিভিল, পাওয়ার ও টেকনোলজির ১ম ও ২য় শিফটের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ নগদ আদায়কৃত (৩,৩২,৫০০/-) তিন লক্ষ বত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
উত্তোলিত টাকা গত মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি রেজিষ্ট্রেশন কপিসহ ১ম শিফটের একাডেমিক ইনচার্জ ও চিপ ইন্সট্রাক্টর পাওয়ার এস এম মন্জুরুল ইসলামের নিকট জমা প্রদান করা হয়। উত্তোলিত টাকা রবিবার ২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সকল শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত প্রদান করা হবে।
তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়, প্রত্যেক বিভাগের ক্যাপ্টেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য টাকা উত্তোলন করে। কুচক্রী কোন এক মহল মিথ্যা তথ্যের গুজবে ছাত্রলীগের বদনাম করতে চেয়েছিল। সুশীল সমাজের মানুষজন এ গুজব রটানো কুচক্রী মহলকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।