
জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা রাজশাহী জেলা কমিটি হতে গণ পদত্যাগের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার রাতে মহানগরীর গনক পাড়ার একটি রেস্টুরেন্টে রাজশাহীর বিক্ষুব্ধ ইলেকট্রিক ব্যবসায়ীগণের আয়োজনে এ গণ পদত্যাগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর ২০২১ ইং তারিখে মহানগরীর ভদ্রায় একটি কনভেনশন সেন্টারে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুমোদিত হয় পূর্ণাঙ্গ জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা রাজশাহী জেলা কমিটি। কমিটি গঠনের কিছুদিন পর থেকেই নানা কর্মকান্ডেরা কারনে এই কমিটি বিতর্কিত হয়ে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার গণ পদত্যাগ কর্মসূচি আয়োজন করে রাজশাহীর বিক্ষুব্ধ ইলেকট্রিক ব্যবসায়ীগণ ।
জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা রাজশাহী জেলা কমিটি হতে পদত্যাগকারীরা হলেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাবেরী কিবরিয়া রুবেল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আজিজুল সরদার, ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ আলমগীর, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক সোহরাব হোসেন রিপন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান সেলিম, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল রাজ্জাক, কার্যকারী সদস্য মোঃ মিন্টু আলী ও মোঃ কাজী সুমন এবং জাগ্রত যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল।
এছাড়া উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য থেকে পদত্যাগ কারীরা হলেন, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, শ্রী অশোক প্রসাদ পরামানিক, মোঃ আব্দুস সবুর ও আল মামুন সুলতান মন্টু।
গণপদত্যাগ অনুষ্ঠানে নুর ইলেকট্রিকের স্বত্বাধিকারী ও সাবেক রাজশাহী ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, আমরা আশা করেছিলাম জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা রাজশাহী জেলা কমিটি রাজশাহীর যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আছে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করবে। কিন্তু তারা তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি বরং রাজশাহী ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিতির মধ্যে ভাঙনের সৃষ্টি করেছে। যার ফলে রাজশাহী ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে। তারা এটিকে একটি ফেসবুক সংগঠন হিসাবে আখ্যায়িত করে এখান থেকে সকলেই গণ পদত্যাগ করেন।
এ সময় রাজশাহী ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক নেতৃবৃন্দ ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।