Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক | bijoybangla.news
QR
ই-পেপার / অনলাইন সংস্করণ
Wednesday , ১৩ মে ২০২৬ | ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

রুপির পতন ঠেকাতে সোনায় শুল্ক বাড়াল ভারত

অনলাইন ডেস্ক ১৩ মে ২০২৬

টানা পতনের মুখে থাকা রুপির মান ধরে রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সুরক্ষা নিশ্চিতে সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপে পড়ায় দেশটির সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে ভারতীয় রুপির মান ক্রমাগত কমছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রুপির মানের পতন ঠেকাতে ও রিজার্ভ বাড়াতে সোনা এবং রুপার আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি।

সোনা আমদানির মূল্য ডলারে পরিশোধ করতে হয়। যে কারণে যত বেশি সোনা আমদানি হয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ততই খরচ হয় অথবা ডলার কিনতে গিয়ে রুপির ওপর চাপ তৈরি হয়। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে গত এক বছর ধরে ডলারের বিপরীতে রুপির মান ধারাবাহিকভাবে কমছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েক দিন আগেই দেশবাসীকে অন্তত এক বছরের জন্য সোনা কেনা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে জারি করা সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক বিদ্যমান ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ শুল্ক বাড়ানো হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক পথ হরমুজ প্রণালি প্রায় অচল হয়ে যাওয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে ভারত। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করা হয় ওই পথ দিয়ে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে তেলের আকাশচুম্বী দামের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারে।

আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশটির লেনদেনের ভারসাম্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে গত রোববার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে পেট্রোল ও ডিজেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ারও আহ্বান জানান।

ভারতে অপরিশোধিত তেলের পরই আমদানির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সোনা। বিয়ে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে ব্যবহারের পাশাপাশি দেশটিতে সোনাকে সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এই বিলাসবহুল পণ্যের আমদানি কমিয়ে ডলার সাশ্রয় করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছে দিল্লি।

সূত্র: এএফপি

--সংগৃহীত ছবি