Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক | bijoybangla.news
QR
ই-পেপার / অনলাইন সংস্করণ
Sunday , ১৭ মে ২০২৬ | ০৪:১৯ অপরাহ্ন

মেঘনার ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরেই স্থায়ী ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক ১৭ মে ২০২৬

মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছর থেকেই স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের কাজও শুরু করা হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের মেঘনা নদীভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, চোখের সামনে মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের জানমাল রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। সে কারণেই আমরা সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখতে এসেছি।

তিনি বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় জরুরি ভিত্তিতে ‘ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক’ হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি পয়েন্টে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সুবর্ণচরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ। যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে স্থায়ী কাজ করা হবে। স্টাডি রিপোর্ট শেষ হলে আগামী অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ হাতিয়ার ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতেও সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। এসব এলাকায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।

সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার জনগণের স্বার্থে কাজ করছে। উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি সেক্টরে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ সময় স্থানীয়রা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান। পরে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এটিএম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, সদস্য সচিব হারুন অর রশীদ আজাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

সংগৃহীত ছবি