
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচের পর আইপিএলের প্লে-অফের তিন দল নিশ্চিত হয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গুজরাট টাইটান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ প্লে-অফে উঠে গেছে। প্লে অফে এখন আর একটি জায়গা ফাঁকা।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টস আগেই প্লে-অফের দৌড় থেকে বিদায় নিয়েছে। অর্থাৎ, চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফে ওঠার লড়াইয়ে এখন টিকে আছে পাঞ্জাব কিংস, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস, দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স।
পাঞ্জাবের প্লে-অফে ওঠার সুযোগ নিজেদের হাতে নেই। শেষ ম্যাচে লখনউকে হারালে ১৫ পয়েন্টে শেষ করবে পাঞ্জাব। কিন্তু রাজস্থান যদি পরের দুই ম্যাচ জেতে তা হলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৬। কেকেআর দুই ম্যাচ জিতলে ১৫ পয়েন্ট হবে। ফলে পাঞ্জাবকে নিজেদের ম্যাচ জেতার পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে রাজস্থান ও কেকেআরের দিকে।
রাজস্থানের প্লে-অফে ওঠার সুযোগ এখনও নিজেদের হাতে রয়েছে। পাঁচ দলের মধ্যে তারাই একমাত্র দল যাদের বাকি দুই ম্যাচ জিতলেই হবে। তাহলেই ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফে উঠবে তারা। অন্য কারও দিকে তাকাতে হবে না। কিন্তু রাজস্থান একটি ম্যাচ হারলে চাপে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাদের পয়েন্ট হবে ১৪। তাদের টপকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পাঞ্জাব ও কেকেআরের।
শেষ ম্যাচ জিততেই হবে চেন্নাইকে। তাহলে ১৪ পয়েন্ট হবে তাদের। তবে সে ক্ষেত্রে তাদের অপেক্ষা করতে হবে কেকেআর, পাঞ্জাব ও রাজস্থানের অন্তত একটি করে ম্যাচ হারের জন্য। সে ক্ষেত্রে কেকেআর ও পাঞ্জাবের পয়েন্ট হবে ১৩। রাজস্থানের পয়েন্ট হবে ১৪। দিল্লির পয়েন্টও ১৪ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নেট রানরেটে প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা থাকবে চেন্নাইয়ের।
শেষ ম্যাচে কেকেআরকে হারালে ১৪ পয়েন্ট হবে দিল্লির। তাদের নেট রানরেট কম। ফলে পাঞ্জাব, রাজস্থান ও চেন্নাইয়ের হারের প্রার্থনা করতে হবে তাদের। পাঞ্জাব ও চেন্নাই একটি করে ম্যাচ ও রাজস্থান দু’টি ম্যাচ হারলে তবেই প্লে-অফে উঠতে পারবে দিল্লি।
শেষ দুই ম্যাচে জিততে হবে কেকেআরকে। তা হলে ১৫ পয়েন্ট হবে তাদের। সেক্ষেত্রে দিল্লি ও চেন্নাইকে টপকে যাবে তারা। কেকেআরের টিকে থাকতে হলে রাজস্থানকে অন্তত একটি ম্যাচ হারতে হবে। তা হলে রাজস্থানকেও টপকে যাবে কেকেআর। পাঞ্জাব জিতলে কেকেআরের সঙ্গে পয়েন্ট সমান হলেও নেট রানরেটে শ্রেয়াসরা এগিয়ে। ফলে কেকেআর যদি দু’টি ম্যাচে বড় জয় পায়, বা পাঞ্জাব শেষ ম্যাচ হারে তা হলে প্লে-অফে উঠবে অজিঙ্ক রাহানেরা।
এসআইএল/বিবিএন