Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ২৪ মে ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

রাজাবাড়ী পোল্ট্রি ফার্মে টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি: Tender irregularities alleged at poultry farm

রাজশাহীর রাজাবাড়ী পোল্ট্রি ফার্মের ডেপুটি ডিরেক্টর (ডিডি) তফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিয়ে আসছেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে রাজাবাড়ী ডেইরি ফার্মে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তফিজুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় খামারের গাছ নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়মের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি গাছ বিক্রি করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খামারের গাছ কেটে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া পশুখাদ্য সরবরাহের টেন্ডার প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের ভাষ্য, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বারবার কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে করিম ট্রেডার্স, এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, অংকিতা ও বেতেগা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে রাজাবাড়ী পোল্ট্রি ফার্মে দায়িত্ব নেওয়ার পরও একই ধারা অব্যাহত রেখেছেন তফিজুল ইসলাম। তাদের দাবি, স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আহ্বান জানানো হলেও তা উপেক্ষা করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, এইচ এন এন্টারপ্রাইজের মালিক হিলটনের বিরুদ্ধেও পশুখাদ্য টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি অতীতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে এখনও বিভিন্ন টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তফিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। যারা নির্ধারিত নিয়ম ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী দরপত্র জমা দিয়েছে, তারাই কাজ পাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিছু ব্যক্তি নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছে। তারাই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছে। আমি নিয়ম মেনেই টেন্ডার সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সরকারি খামারগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

রাজশাহীর রাজবাড়ী পোল্ট্রি ফার্মের ডেপুটি ডিরেক্টর (ডিডি) তফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিয়ে আসছেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে রাজবাড়ী ডেইরি ফার্মে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তফিজুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় খামারের গাছ নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়মের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি গাছ বিক্রি করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খামারের গাছ কেটে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া পশুখাদ্য সরবরাহের টেন্ডার প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের ভাষ্য, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বারবার কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে করিম ট্রেডার্স, এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, অংকিতা ও বেতেগা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে রাজবাড়ী পোল্ট্রি ফার্মে দায়িত্ব নেওয়ার পরও একই ধারা অব্যাহত রেখেছেন তফিজুল ইসলাম। তাদের দাবি, স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আহ্বান জানানো হলেও তা উপেক্ষা করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, এইচ এন এন্টারপ্রাইজের মালিক হিলটনের বিরুদ্ধেও পশুখাদ্য টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি অতীতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে এখনও বিভিন্ন টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তফিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। যারা নির্ধারিত নিয়ম ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী দরপত্র জমা দিয়েছে, তারাই কাজ পাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিছু ব্যক্তি নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছে। তারাই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছে। আমি নিয়ম মেনেই টেন্ডার সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সরকারি খামারগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।


           

     


© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news