
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার সকালে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও ‘নজরুল বর্ষের’ উদ্বোধন করেছেন। তিনি তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একযোগে দেশের ৬৪টি জেলা ও বাছাইকৃত ৭৪টি উপজেলায় এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে হবে।" তিনি আরও বলেন, নানা আয়োজনের মাধ্যমে এটিকে কাজে লাগিয়ে সারাদেশে জেলা-উপজেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বছরজুড়ে সফলভাবে এই উৎসব পালন করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার সাথে সমন্বয় রেখে রাজশাহীতেও শুরু হয়েছে বছরব্যাপী নানা আয়োজন। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে দীর্ঘমেয়াদী উৎসবের অংশ হিসেবে আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজশাহীর সংস্কৃতিপ্রেমীদের জন্য এই তিন দিন নজরুলের জীবন ও কর্মের ওপর ভিত্তি করে নানা আয়োজন রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের তিন দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে রয়েছে ২ জুলাই, সন্ধ্যা ৭টা নজরুলের স্মৃতিভিত্তিক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
৩ জুলাই বিভিন্ন বয়সের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
এবং ৪ জুলাই নজরুলের বিভিন্ন ধারার গান নিয়ে মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠান ও সমাপনী আয়োজন।
এই তিন দিনব্যাপী আনন্দঘন ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য রাজশাহীর সর্বস্তরের জনসাধারণকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।