Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক | bijoybangla.news
QR
ই-পেপার / অনলাইন সংস্করণ
Wednesday , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০১:৪০ অপরাহ্ন

শোবিজে কাজের পরিবেশ ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে দীপা খন্দকারের ভাবনা

অনলাইন ডেস্ক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিনেত্রী দীপা খন্দকার শোবিজ অঙ্গনে দীর্ঘ পথচলায় কাজের পরিবেশে নিজের ব্যক্তিত্ব ও মানসিক শক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজের জায়গার অভিজ্ঞতা, সহশিল্পীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিজের কন্যাসন্তানকে দেওয়া সাহসের বার্তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি।

কাজের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দীপা খন্দকার জানান, কর্মজীবনে তিনি কখনো কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হননি। এর পেছনের কারণ হিসেবে তিনি নিজের ব্যক্তিত্ব এবং মনোভাবের কথা উল্লেখ করেন। 

তার কথায়, ‘আমি জানিনা আমি ব্লেসড, নাকি আমি রুড, নাকি আমি স্ট্রং এনাফ। তবে আমি কিন্তু কোনদিন কোন হ্যারাসমেন্টের শিকার হইনি। আমরা এমন সময়ও কাজ করেছি যখন রাত দেড়টা-দুইটা পর্যন্ত শুটিং চলেছে। এখন মাঝে মাঝে ফিল করি যে একটা ইউনিটে হয়তো আমি একাই মেয়ে, আর বাকি সবাই ছেলে। কিন্তু কেউ কখনো আমাকে বাজে চোখে দেখেনি বা আমি ওরকম কিছু অনুভবও করিনি।’

কাজের পরিবেশে ব্যক্তিত্ব ও আচরণের ভূমিকা সম্পর্কে অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় মেয়েদের অ্যাটিটিউড বা যেকোনো মানুষের অ্যাটিটিউড খুব ইম্পর্টেন্ট। এপ্রোচটা অনেক বিষয় নির্ভর করে। অবশ্য আমি এটা বলছি না যে অনেকে মনে করবেন ‘মেয়েটারই দোষ’ আমি কিন্তু সেটা বোঝাচ্ছি না। 

‘অভিনেতা মোশাররফ ভাই একবার আমাকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘দীপাকে দেখলে মনে হয় ওকে যদি যেয়ে বলি আই লাভ ইউ, সে মনে হয় স্যান্ডেলটা খুলে মারবে!’ সবাই বোধহয় আমাকে ওরকমই ভাবে যে, একে একটা কথা বলতে গেলে সে মনে হয় পাল্টা দুইটা চড়-থাপ্পড় মেরে বসবে! আমার মনে হয় এই গার্ডস বা এইটুকু স্ট্রং মনোভাব আসলে যেকোনো মেয়ের থাকা উচিত।’

পারিবারিক জীবন ও কন্যাসন্তানের লালন-পালন প্রসঙ্গে দীপা খন্দকার জানান, তিনি তার এছোট মেয়েকেও একইভাবে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছেন। মেয়েকে দেওয়া পরামর্শের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে সারাক্ষণ একটা কথা বলি— তুমি কাউকে মারবে না, কাউকে বকা দেবে না। এমন কোনো কথা বলবে না যাতে পাল্টা তোমাকে কেউ একটা বাজে কথা বলতে পারে, ওই পরিবেশটা তুমি তৈরি করবে না। কিন্তু কেউ যদি তোমাকে আগে একটা মারে, তবে তুমি তাকে ১০টা মেরে চলে আসবে। ১০টা মারার রাইটস তোমার আছে! অর্থাৎ, কেঁদে কেঁদে আমার কাছে চলে আসার কোনো দরকার নেই।’

--সংগৃহীত ছবি