আর্কাইভ কনভাটার ঢাকা, সোমবার, মে ২৭, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Logo

ঘূর্ণিঝড় রেমাল

logo

জামালপুরে অতিথি শিক্ষক দিয়েই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত:  ২৫ মে, ২০২৪, ০৫:৩৯ এএম

জামালপুরে অতিথি শিক্ষক দিয়েই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম
জামালপুরে অতিথি শিক্ষক দিয়েই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম

জামালপুরের ইসলামপুরে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে (আইএইচটি) ছয় বছর ধরে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। এখনও প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-কর্মচারী স্থায়ীভাবে নিয়োগ হয়নি।

অতিথি শিক্ষক ও প্রেষণে নিয়োগেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবি শিক্ষার্থীদের। এদিকে কর্মচারীদের আট মাস ধরে বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যালয়ে সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর স্বাস্থ্য প্রকৌশলের বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু করা হয় পাঠদান কার্যক্রম। চারটি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু রয়েছে। ল্যাবরেটরি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং, ফার্মেসি এবং ডেন্টাল টেকনোলজি (বিভাগ) চালু রয়েছে। এসব বিভাগের সাড়ে ৫০০ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন।

আরও জানা যায়, এই প্রতিষ্ঠানটিতে ১০ জন শিক্ষক এবং ১৮ জন কর্মচারীর পদ রয়েছে। যেই ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন তারা সবাই অতিথি শিক্ষক। স্থায়ীভাবে কোনো শিক্ষকেরই নিয়োগ হয়নি। প্রেষণে নিয়োগ পাওয়া চারজন শিক্ষক হলেন, অধ্যক্ষ পদে ডা. মুহাম্মদ মজিবুর রহমান, সহকারী পরিচালক ডা. রবিউল ইসলাম, শিক্ষক, ডা. মালিহা মালবিকা মিমু ও ডা. মুখলেছুর রহমান। 

এদিকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৮ জন কর্মচারীকে নিয়োগ করা হয়েছে। তবে এই ১৮ জন আট মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা জানান, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত ৮ মাস ধরে বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। তারা তবুও দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বেতন ভাতা বন্ধ থাকায় তাদের কষ্টের মধ্যেই সংসার চালাতে হচ্ছে। তাদেরকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়ার দাবিও জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রতিষ্ঠানটি চালু হওয়ার পর থেকেই অতিথি শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চলছে। এই প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে কোনো শিক্ষক নেই। অতিথি শিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। 

শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন বলেন, আমাদের সব অতিথি শিক্ষক. কেউ পূর্ণাঙ্গভাবে বা স্থায়ীভাবে নিয়োগ পায়নি। স্থায়ীভাবে শিক্ষক হলে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা হতো। আমরা স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক এবং কর্মচারী সব পদেই লোক রয়েছে। ১০ জন অতিথি শিক্ষক রয়েছেন এবং ১৮ জন কর্মচারী রয়েছেন। ১৮ জন কর্মচারী তারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছে। তবে কর্মচারীরা বেতন ভাতা পাচ্ছেন ৮ মাস ধরে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।

বিবিএন/০১ এপ্রিল/এসডি


google.com, pub-6631631227104834, DIRECT, f08c47fec0942fa0