Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ২১ জানুয়ারি ২০২৪
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

৫ বছর ধরে অকেজো মালঞ্চ নদীর উপর নির্মিত সেতু

অনলাইন ডেস্ক: useless bridge

ফরিদপুরের সালথায় মালঞ্চ নদীর বুকে নির্মিত একটি ব্রিজের দুপাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে গেছে। যে কারণে ব্রিজের ওপর দিয়ে চলছে না কোনো ধরনের যানবাহন।

গত পাঁচ বছর ধরে ব্রিজটি এভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৭ মিটারের ব্রিজটি স্থানীয় সাতটি গ্রামের মানুষের জন্য ১০ পয়সারও কোনো উপকারে আসছে না। বরং ব্রিজের সংযোগ সড়ক এখন স্থানীয় সবার পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গট্টি ও আটঘর ইউনিয়নের সীমান্তে দিয়ে বয়ে গেছে মালঞ্চ বিল। বিলের উত্তরপাড়ে অবস্থান করছে আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড়, গোয়ালপাড়া, সেনহাটি ও ভাবুকদিয়া গ্রাম। আর দক্ষিণ পাড়ে অবস্থান করছে সিংহপ্রতাপ, নারানদিয়া ও মেম্বার গট্টি গ্রাম। এই সাতটি গ্রামে বসবাসরত বাসিন্দারা বেশির ভাগ কৃষক।

স্থানীয় বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী আশরাফুল ইসলাম মুনাম বলেন, দুই ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য ১২ বছর আগে বুড়িদিয়া স্কুলের পেছনে মালঞ্চ বিলের ওপর ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ব্রিজটি নির্মাণ করে সরকার। ব্রিজের দুপাশে মাটি কেটে নির্মাণ করা হয় কাঁচা রাস্তা। পরে ওই রাস্তার ওপর ইট বিছিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচলে উপযোগী করে দেওয়া হয়।

ফলে এসব গ্রামের কৃষকরা তাদের কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে অনেক সুবিধা হয়। কিন্তু গত পাঁচ বছর আগে বিলের পানির চাপে ব্রিজটির দুপাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে ধসে যায়। এরপর থেকে ব্রিজের ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো লাভ হয়নি।

স্থানীয় কৃষক সোহেল মাতুব্বর ও ইলিয়াস হোসেন বলেন, সারা জীবন আমরা পাট-ধান ও পেঁয়াজ মাথায় করে বাজারে নিয়ে বিক্রি করেছি। মালঞ্চ বিলের ওপর ব্রিজটি হওয়ায় আমরা অনেক খুশি হয়েছিলাম। ব্রিজ হওয়ার পর কয়েক বছর মাথায় করে নিয়ে বাজারে ফসল বিক্রি করতে হয়নি। ভ্যান, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নসিমন (থ্রি-হুইলার) ও গাড়িতে করে কৃষিপণ্য বাজারজাত করেছি। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ব্রিজের দুপাশের সড়ক ভেঙে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।  

সালথা উপজেলা প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া বলেন, ব্রিজটির দুপাশের সংযোগ সড়ক সংস্কার জরুরি। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সংস্কার করার জন্য। ইতোমধ্যে সংস্কারের জন্য ঢাকায় এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিছুর রহমান বালি বলেন, অতি শিগগিরই ওই স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শনে যাব। সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আমরা কাজ করব।  

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news