Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক | bijoybangla.news
QR
ই-পেপার / অনলাইন সংস্করণ
Sunday , ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:২০ অপরাহ্ন

দুই উপজেলার মাঝখানে ‘মৃত্যুফাঁদ’—৭ দিনেও মেরামতের খবর নেই

প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ): ১৯ এপ্রিল ২০২৬

৭ দিনেও ছোঁয়া লাগেনি প্রশাসনের: ভাঙা কালভার্টে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল হাজারো মানুষের।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গোবরচাঁপা-আক্কেলপুর সড়কের খাদাইল বাহারের মোড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে পড়ার পরও সাত দিন পার হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এতে করে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহনকে।

ভাঙা কালভার্টটি বদলগাছী উপজেলার মধ্যে হলেও আক্কেলপুর উপজেলা সদর থেকে এর দূরত্ব মাত্র প্রায় ২ কিলোমিটার এবং বদলগাছী সদর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দুই উপজেলার হাজারো মানুষ যাতায়াত করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্টের এক পাশের পাটাতনের বড় একটি অংশ ধসে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন চলাচল। স্থানীয়রা বাঁশ ও ডালপালা দিয়ে স্থানটি চিহ্নিত করলেও তা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত এই কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এক সপ্তাহ আগে এতে ফাটল দেখা দেয় এবং দুই দিন আগে বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। এরপর থেকেই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

তাদের অভিযোগ, এলাকা দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে মেরামত কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

খাদাইল এলাকার বাসিন্দা আজাদ বলেন, ভাঙার পর এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও কেউ মেরামত করতে আসেনি। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। রাতের বেলায় ইতোমধ্যে কয়েকজন আহতও হয়েছেন।

আরেক বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, কালভার্টটি অনেক আগেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এখন ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও সংশ্লিষ্টদের তেমন নজরদারি নেই।

মিঠাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ হোসেন জানান, কালভার্টটি পুরোনো ছিল এবং কয়েকদিন আগে ভেঙে গেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।

বদলগাছী উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত দুই-এক দিনের মধ্যে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে ভাঙা অংশে মাটি বা ইট ফেলে সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ছবি - বিজয়বাংলা