Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ৩০ এপ্রিল ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক Amir Khasru Mahmud Chowdhury

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের কোনো সময়ে শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো নিয়োগ হয়েছে- সবগুলো অরাজনৈতিক নিয়োগ। যে কারণে বাংলাদেশে আর্থিক শৃঙ্খলা বিএনপি সরকারের সময় কোনো ধরনের সমস্যা হয় নাই। সব সময় আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় ছিল। কোনো সময় শেয়ারবাজার লুটপাট হয় নাই। কারণ বিএনপির নিয়োগগুলো কখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়নি। যোগ্য ব্যক্তিদের সেখানে দেওয়া হয়েছে। সেই ধারা এই সরকার অব্যাহত রাখবে, তা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন-আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেয়া হবে না। বাংলাদেশের কোনো সরকার এমন সিদ্ধান্ত দেয়নি বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অধিকতর সংশোধনের জন্য (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬) বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব দেন। 

তবে এই বিলের ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

শেয়ারবাজার লুটপাটে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে যে কটি স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তার অন্যতম একটি হচ্ছে পুঁজিবাজার।

তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে যেসব দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক, তাদের শক্তির অন্যতম উৎস শেয়ারবাজার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ সালে একবার ও ২০১০ সালে একবার ভয়াবহ রকম পতনের শিকার হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে লুট হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকার উপরে। এই ১ লাখ কোটি টাকা, সাধারণ মানুষের টাকা। যে মানুষগুলো তাদের সমস্ত সঞ্চয়গুলো হয়তো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন—সেই মানুষগুলোর টাকা।

এগুলো লুটপাট করা হয়েছে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মাধ্যমে। বিশেষ কিছু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে। যাদের কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয় নাই, যোগ করেন তিনি।

দেশের অর্থনীতি নানা সমস্যার মুখে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সার্বিক পরিস্থিতিতে আমি আমি আশা করব, অর্থমন্ত্রী শেয়ারবাজার লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের যেমন জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন, একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে দক্ষ ও যোগ্য মানুষের সম্মিলন ঘটিয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আবারও একটি আস্থার জায়গায় নিয়ে যাবেন।

জবাবে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেহেতু বিশেষ কমিটি এই বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে, তারপর বিলটি এখানে এসেছে। সুতরাং আর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দেওয়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।

এ সময় বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news