Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ০২ জুন ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা, আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছেন বাবা

অনলাইন ডেস্ক Ramisa rape and murder

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে এদিন সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোহেল রানাকে এবং কাশিমপুর কারাগার থেকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

এর আগে গত সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন এবং একই দিনে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন।

মামলার নথিপত্র ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের এই পর্যায়ে আজ ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে কৌশলে তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নেন আসামি স্বপ্না। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির ভেতরে মাথা খুঁজে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পরদিন ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যার ধারাবাহিকতায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলো।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news