Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news
০২ জুন ২০২৬
০৪:২১ অপরাহ্ন

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত বাজেটে গুরুত্ব পাবে

অনলাইন ডেস্ক Power and fuel sectors will receive importance in the budget

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মূল লক্ষ্য এখন টেকসই, সাশ্রয়ী এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভরতা বাড়ানো। তাই নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে গুরুত্ব পাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। এবার অগ্রাধিকারে থাকছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জ্বালানি অনুসন্ধানের মতো বিষয়। 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতে, উৎপাদন খাত ও অর্থনীতির গতি ধরে রাখতেই বাজেটে এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি কয়েক দিনের জ্বালানি তেল সংকটের পর দুই দফা দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে এলপি গ্যাসের দামেও বড় ধরনের উল্লম্ফন হয়েছে। শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণাও আসতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জ্বালানি পণ্যের দাম।

এদিকে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ছে শিল্পখাতেও। ফলে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজেটে কী ধরনের নীতিকৌশল নেয়া হচ্ছে, সেদিকে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, গ্রাহকের প্রত্যাশা, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং উৎপাদন খাতের স্বার্থ বিবেচনায় নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতি আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করেছে। তাই নতুন বাজেটে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে গুরুত্ব দেয়া হবে। বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়টিও বাজেট বক্তৃতায় স্থান পাবে।

 বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ছাড়া দেশের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। এ কারণেই সরকার এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাজেটে বরাদ্দ রাখছে।

 সরকার আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ভ্যাট ও কর কমানোসহ বিভিন্ন নীতিসহায়তা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রুফটপ সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। বাজেটে এ খাতে অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

 কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, তরল জ্বালানির ব্যবহার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার দিকনির্দেশনা বাজেটে থাকতে হবে। পাশাপাশি সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর সেবা যদি মুনাফামুক্তভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপ এবং সরকারের ভর্তুকির বোঝা অনেকটাই কমে আসবে।


সূত্র: সময় সংবাদ

এসআইএল/বিবিএন

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news