Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ২০ জুন ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

রাজশাহীতে স্বর্নের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি

রাজশাহী প্রতিনিধি :- Adventurous theft at a gold shop

রাজশাহী মহানগরীর ব্যস্ততম এলাকায় স্বর্ন পট্রিতে " কারুশ্রী জুয়েলার্সে "দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। দোকানটির মালিকের দাবি, সংঘবদ্ধ চোরচক্র প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। 

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবাদে মহানগর ও জেলার অধিকাংশ স্বর্ণের দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখা।

ভুক্তভোগী স্বর্ন ব্যবসায়ী তুর্য সরকার জানান, বৃহস্পতিবার (১৯জুন):দিবাত রাতে তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় যান।   পরদিন শুক্রবার (২০জুন) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় দোকান খোলা হয়নি। এই সুযোগে চোরেরা তার পাশের "আফিয়া জুয়েলার্সের" দেয়াল কেটে তার দোকানে প্রবেশ করে দোকানে থাকা সমুদয় স্বর্নালংকার ও স্বর্ন নিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, “চোরেরা আমার দোকানের সবকিছু নিয়ে গেছে। প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করেছে। অথচ যে দোকানের দেয়াল কেটে চোরেরা ঢুকেছে, সেই "আফিয়া জুয়েলার্স "থেকে কোনো কিছু নেয়নি চোরেরা। বিস্ময়কর বিষয় হলো, চোরেরা যাওয়ার সময়   দোকানের শাটারে তালা লাগিয়ে যায়, যাতে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কেউ বিষয়টি যেন টের না পায়।আমাকে একেবারে নিঃস্ব করে দিয়ে গেছে। আমি এখন পথের ভিখারি।”

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক নাজেরুল ইসলাম মিঠু বলেন, “এটি কোনো সাধারণ চুরির ঘটনা নয়। পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। চোরেরা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ তারও কেটে দিয়েছে, যাতে তাদের কোনো তথ্য-প্রমাণ না থাকে।”

তিনি আরো বলেন, “এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগর ও জেলার সব স্বর্ণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।”

এদিকে চাঞ্চল্যকর এই চুরির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউকে থানায় আনা হয়নি।

ঘটনাটি কীভাবে ঘটল, এত বড় পরিমাণ স্বর্ণ কোথায় গেল এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র জড়িত আছে কি'না—এসব প্রশ্ন এখন রাজশাহীর ব্যবসায়ী মহলে শুধু নয়!  পুরো নগরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news