Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ২১ জুন ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

ট্রেনের নামজ ঘরে যাত্রী বহনে নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা ,উদাসীন কতৃপক্ষ

আবুল কালাম আজাদ Carrying passengers in train prayer rooms poses obstacles to prayer

বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেনের কোনো সংরক্ষিত নামাজের ঘর বা ইবাদতখানা সাধারণ যাত্রীদের বসার জন্য বা যাত্রী পরিবহনের জন্য বরাদ্দ নয়। এটি কেবল যাত্রীদের নামাজ আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট একটি স্থান হিসেবে বিবেচিত।

তবে কিছু অসাধু কর্মচারী এটি ব্যবহার করে অর্থের বিনিময়ে টিকিট বিহিন যাত্রী পরিবহন করে আসছেন।

এমন শত অভিযোগের পরও পশ্চিমাঞ্চল রেলের রাজশাহী- ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের নামাযের জন্য সংরক্ষিত কোচে, টিকিট বিহিন যাত্রী পরিবহন করে করেন সংশ্লীষ্ট রানিং কর্মচারীরা।তারা ভেতরে যাত্রী বসিয়ে দরজায় তালা দিয়ে রাখে।

এতে করে নামাযের সময় নামায আদায় কোরতে পারেনা যাত্রীরা।অভিযোগটি দীর্ঘ দিনের হলেও এর কোন সমাধান আসেনাই।

একজন ভুক্তভোগী ট্রেন যাত্রী নামাযের ঘরের চিত্র নিয়ে তার ফেসবুক পইজ পোস্ট লিখেন,"এশার নামাজ আদায়ের জন্য ট্রেনের নামাজ ঘরে গেলাম, গিয়ে দেখতেছি নামাজ ঘরে ডাক টিকিটের হিসাব এবং প্রসেসিং চলতেছে!তাদের জিজ্ঞেস করলাম, আমরা নামাজ কোথায় আদায় করব?উত্তরে বললেন, নামাজ ঘর বন্ধ হয়ে গেছে"।অথচ গেটে লেখা আছে নামাজ ঘর!আবার যে তিন জন টিকিট প্রসেসিং করতেছে তিনজনেরই মুখে আল্লাহর রাসূলের সুন্নত দাড়িগুলো অনেক বড় বড়। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।

ট্রেনে ভ্রমন কারি আল মাসুদ নামের নামের এক আরো এক যাত্রী বলেন, তিনি পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন যোগে ঢাক যাচ্ছিলেন।মাগরিবের নামাযের সময় হলে তিনি সংরক্ষিত নামাযের কামরাটিতে লোকভর্তি ও তালাবদ্ধ দেখতে পান।অগত্যা তিনি নিজ আসনে গিয়ে নামায আদায় করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন,এমনিতো টিকিট বিহিন যাত্রীর অত্যাচারে কোচে নিজ আসনে যাওয়া দায় হয়েপড়ে,অন্তঃত উপাসনালয় কামরাটি নামাযের জন্য উম্মুক্ত ও নামায আদায়ের পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সংশ্লীষ্ট উর্ধতনদের দৃস্টি দেয়ারও অনুরোধ জানান।

এ বিষেয়ে পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন,ট্রেনের সংরক্ষিত নামায ঘর (বা নামাজের স্থান) যাত্রী বসে থাকার কোন সুযোগ নাই।কেবল নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায়ের জন্যই কোচটি নির্ধারিত। এখানে সাধারণ যাত্রী বহন, লাগেজ রাখা, বা ঘুমানোর কোনো নিয়ম বা সুযোগ নেই। এখানে কোনো সাধারণ যাত্রীকে বসানো বা ভ্রমণের অনুমতি নেই। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ এবং রেল আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিষয়টি কোন যাত্রীর নজরে আসলে তা ট্রেনে দায়িত্বরত টিটিই (TTE) বা রেলওয়ে পুলিশ (GRP/RPF) অথবা কর্তব্যরত পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন।





© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news