মেক্সিকোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে শুরু থেকেই চাপে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের ১৫ মিনিটেই গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে থ্রি লায়নসরা।
তবে সেই মুহূর্তে দলের ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
রাউল হিমেনেজের দুর্দান্ত ডাইভিং হেড গোলমুখে যাচ্ছিল।
কিন্তু দ্রুত বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন পিকফোর্ড। তার অসাধারণ এই সেভে নিশ্চিত গোল থেকে বেঁচে যায় ইংল্যান্ড।
এরপরই খেলার নিয়ন্ত্রণ নেয় ইংলিশরা। স্রোতের বিপরীতে দুর্দান্ত এক প্রতিআক্রমণ থেকে ম্যাচের ৩৬ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন বেলিংহাম।
পুরো আক্রমণের সূচনা করেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। ডেকলান রাইস বল এগিয়ে নিয়ে ডান প্রান্তে থাকা বুকায়ো সাকার কাছে পাস বাড়ান। সাকা সেখান থেকে বক্সে দারুণ একটি ক্রস ভাসান। বলটি হ্যারি কেইনকে ফাঁকি দিয়ে গেলেও জুড বেলিংহামের নাগাল এড়ায়নি। ডাইভিং হেডে বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলেই স্তব্ধ হয়ে যায় আজতেকা স্টেডিয়াম।
এক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় গোলও করে ইংল্যান্ড। কিক–অফের পরপরই আবারও মেক্সিকোর রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়ে থ্রি লায়ন্স। দুর্দান্ত লড়াই করে বল দখলে নেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। এরপর বল যায় হ্যারি কেইনের কাছে। তিনি বক্সের ভেতরে থাকা জুড বেলিংহামের জন্য নিখুঁতভাবে বল বাড়িয়ে দেন। ডান পায়ের জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন বেলিংহাম।
বেলিংহাম দুই মিনিটে দুই গোল করার চার মিনিট পর একটি গোল শোধ করেছে মেক্সিকো। দলের হয়ে ৪২ মিনিটে গোলটি করেছেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ফলে ২–১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের ১৯ হেসুস গায়ার্দোকে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসা।
ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের রাইট-ব্যাক পজিশন নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। বিকল্পের অভাব, একের পর এক চোট—তার ওপর এবার লাল কার্ড। যাইহোক, বক্সের ভেতর অ্যান্থনি গর্ডনকে রাউল রানহেল ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড।
১০ জনের দল নিয়ে ৬০ মিনিটে পেনাল্টি গোলে ৩–১ গোলে এগিয়ে পায় ইংল্যান্ড। আর স্পট কিক থেকে নিজের ৬ নম্বর গোলটি করেন হ্যারি কেইন।