Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
০৭:২৪ অপরাহ্ন

সংশোধনে পুলিশে সোপর্দঃ বানানো হচ্ছে মাদক কারবারি॥ প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:- Press conference in protest

ফটোসাংবাদিক মিশাল মন্ডলকে ‘শীর্ষ মাদক কারবারি’, ‘অস্ত্রধারী’ ও ‘ভুয়া সাংবাদিক’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রচারণার প্রতিবাদ জানিয়েছে তাঁর পরিবার।

পরিবারের দাবি, মিশাল মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসী নন; মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় তাঁকে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যেই পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছিল।

সোমবার (৩১ আগস্ট)রাতে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার মিরেরচক এলাকায় নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মিশালের ছোট বোন। এ সময় তাঁর মা, স্ত্রী ও সন্তান উপস্থিত ছিলেন।

পরিবার জানায়, ৪২ বছর বয়সী মিশাল দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক উপচার, বাংলার জনপদ ও বরেন্দ্র টেলিভিশনে ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। তবে গত ৭–৮ মাস ধরে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় পেশাগতভাবে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এবং পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, তাঁকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ আগস্ট রাতে নগরীর খুলিপাড়া এলাকায় মাদক সেবনের সময় পরিবারের দোয়া তথ্যানুযায়ী মিশালসহ তিনজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে ২১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়ায় নেয়।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মিশালকে ‘শীর্ষ মাদক কারবারি’ হিসেবে প্রচার করছে। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলের বিভিন্ন ছবি নিয়ে বিভ্রান্তিকর ক্যাপশন দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

পরিবার আরও দাবি করে, কয়েক বছর আগে সাংবাদিকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে মিশালের একটি ছবি এআই ও ফটো এডিটিংয়ের মাধ্যমে বিকৃত করে হাতে পিস্তল জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও একই চক্র অপপ্রচারে নেমেছে বলে তাদের অভিযোগ।

লিখিত বক্তব্যে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রায় ৬–৭ বছর আগে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিশালের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা হয়েছিল। তবে গত কয়েক বছরে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই বলে দাবি করা হয়।

মিশালকে নিয়ে প্রকাশিত ভিত্তিহীন তথ্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত সাইবার আইন ও মানহানির আইনি ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news