Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

ছাত্রদল নেতাকে’ চেনেনি পুলিশ, তাই থানার সামনে মশাল মিছিল

রাজশাহী প্রতিনিধি :- Police did not recognize Chhatra Dal leader, so torchlight procession in front of police station

রাতে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন দুই তরুণ। তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে টহল পুলিশ। এক ছাত্রদল নেতাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে ফিরছেন বলে জানান তারা। ছাত্রদল নেতার পরিচয় দেওয়ার পরেও ‘তাকে চেনেন না’ জানিয়ে তল্লাশি চালায় টহল পুলিশ। এই আচরণকে ‘হয়রানি’ দাবি করে ঘটনার তিন দিন পর থানার সামনে মশাল মিছিল করেছে একদল যুবক। 

জেলা ছাত্রদল অবশ্য বলছে, নেতা পরিচয় দেওয়া ওই যুবক এই সংগঠনের কেউ নন। 

মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে দারুশায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কর্ণহার থানার সামনে হয় মিছিলটি। এর নেতৃত্বে ছিলেন সাদমান সাকিব নামের এক যুবক। তিনি রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী বলে দাবি করেছেন।

সাদমান জানান, ২৮ আগস্ট রাতে। একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে মধ্যরাতে তার দুই কর্মী নাজমুল ও রেফাজুল তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। পথে শিশাপাড়া ঈদগাহের সামনে কর্ণহার থানার পুলিশের একটি দল তাদেরকে থামায়।

তার অভিযোগ, সেখানে উজ্জ্বল নামের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজমুল ও রেফাজুলকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হয়রানি করেন। 

বিষয়টি‘পুলিশকে জানানো হয়েছিল, তারা আমাকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে গেছেন। এরপরেও তল্লাশির নামে তাদেরকে হয়রানি করা হয় এবং আমাকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়’- বললেন তিনি।

মশাল মিছিল শেষে থানার সামনে সমাবেশে বক্তব্যে সাদমান বলেছেন, ‘বয়স কম দেখে আমাদের হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সন্দেহ হলে পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। কিন্তু পুলিশের আচরণ খারাপ ছিল।’

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন বলেছেন, ‘সাদমান সাকিব বর্তমানে ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত নয়, এতটুকু আমি বলতে পারি। তবে অন্য কোনো সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কি না- আমার জানা নেই।’

আরএমপির মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান জানান, থানার সামনে মশাল মিছিল ও সমাবেশের ভিডিও তিনি দেখেছেন। পরে ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হয়েছে।সাদমানের দুই কর্মী রাত ১টার পর মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। টহল পুলিশ তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তারা জানান, সাদমান সাকিবকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে ফিরছেন।’

‘জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসআই উজ্জ্বল বলেছেন, তিনি সাদমান সাকিবকে চেনেন না। মূলত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরে থানার সামনে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করা হয়েছে’-। 

ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে আরএমপির মুখপাত্র বললেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মীকে পুলিশ চিনবে কি না- এমন একটি ছোট ঘটনা শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে থানার সামনে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভে। অভিযোগটি এখন তদন্তের অপেক্ষায়। পুলিশের আচরণে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছিল কি না, নাকি এটি ছিল পুলিশের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনের অংশ খোঁজখবরের পরই তা স্পষ্ট হবে।




© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news