Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

চুয়েট: সায়েম স্যারের জন্য এবার চোখ বেঁধে মিছিল

অনলাইন ডেস্ক CUET: Blindfolded procession for Sayem Sir

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবারও (৩০ সেপ্টেম্বর) ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির পাশাপাশি চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন তারা।


বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে এ ‘চোখ বেঁধে প্রতিবাদ মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলের মাধ্যমে প্রশাসনের নীরবতার প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তারা।


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা নবম দিনের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কার্যকর কোনও উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। এ অবস্থায় প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদ হিসেবে চোখ বেঁধে মিছিলের কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।


চুয়েটের শিক্ষার্থী নুরুল আমিন বলেন, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫৬ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে চুয়েটকে আধুনিকায়নের চেষ্টা করেছেন। কোনও অভিযোগ ছাড়াই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। এটি অন্যায়। তাকে স্বপদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।


শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত থেকেই তারা আন্দোলনে নামেন। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর আওতায় ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে অবস্থান, মানববন্ধন, গণস্বাক্ষরসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা। আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতিও।


এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত আসে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনে নামেন।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news