
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফর উপলক্ষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত ১০৪ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে অবস্থান নিয়ে অভিবাদন জানানোর জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন।
এদিন সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে উৎসবে আমেজ বিরাজ করছে। এ সময় ঢোল বাদ্য দিয়ে বাজিয়ে নেতাকর্মীদের উৎসব করতে দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখা এবং শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সকাল ৯টা থেকেই মহাসড়কের উত্তর পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেয়।
মহাসড়কের দাউদকান্দিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সংগঠনের সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এবং এবং দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেনসহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ রয়েছেন মহাসড়কের পাশে।
চান্দিনায় স্থানীয় এমপি আতিকুল ইসলাম শাওনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা মহাসড়কের পাশে অবস্থা নেন।
মহাসড়কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিমসারের কলেজের পূর্বপ্রান্তে স্থানীয় সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বহর প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানাতে অবস্থান নেয়।
এদিকে নিমসারের জুনাব আলী কলেজ গেট থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকের মিল গেট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থান নেয় অবস্থান নেই এলাকাবাসী। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মো. গোলাম সারোয়ারের পক্ষ থেকে বুড়িচং মোকাম ইউনিয়নের তিন সহস্রাধিক বিএনপি কর্মী ও সমর্থক প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানাতে মহাসড়কের এই অংশে অবস্থান নেন।
এসবে তারা নিমসার জুনাব আলী কলেজকে জাতীয়করণের দাবি জানান।
মহাসড়কের পদুয়ার বাজার এবং আলেখারচর অংশে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অবস্থান নেন। দলীয় স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান নেন।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নেতৃত্বেও রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানানোর জন্য অবস্থান নিয়েছেন। মহাসড়কের সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম অংশে চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মনোরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোটের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানানোর জন্য ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান নেন।