Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
অনলাইন ডেস্ক | ০৮ নভেম্বর ২০২৬
bijoybangla.news
logo
বিজয় বাংলা নিউজ
জাতীয় দৈনিক

বিপ্লব ও সংহতি দিবস, জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: এমপি মিলন

নিজস্ব প্রতিবেদক: Revolution and Solidarity Day

বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিলো। দিবসটির সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাস গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন পর দিবসটি যথাযথভাবে উদ্যাপনের সুযোগ পাওয়াকে জাতীয় ঐক্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন রাজশাহী-৩ ( পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। রোববার বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি মিলন বলেন, জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে প্রায় ১৭ বছর ধরে তাঁরা এই ঐতিহাসিক দিবস যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ইতিহাস এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান বিকৃত করার অপচেষ্টা হয়েছে। ৭ নভেম্বর, ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুর্ভোগ কাটিয়ে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তাঁরা এবার বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করছেন। এ জন্য দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে এমপি বলেন, তারেক রহমান দেশের মানুষের সামনে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা তুলে ধরেছিলেন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অনিয়ম ও সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সেই ৩১ দফা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদে এক ধরনের বক্তব্য দিয়ে বাইরে গিয়ে ভিন্ন কথা বলা দ্বিমুখী নীতির পরিচয়। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জনগণের আস্থা অর্জন করা। সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সরকারের মেয়াদের আরও চার বছর তিন মাস সময় রয়েছে। এই সময়ে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া, বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং চাহিদাভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। গণতন্ত্রের চর্চায় তারা বিশ্বাসী। আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। জনগণ ভোট দিয়ে অন্য দলকে নির্বাচিত করলে বিএনপি বিরোধী দলের আসনে বসতেও প্রস্তুত। তবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা হুমকি বরদাশত করা হবে না। দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক। নওহাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম পিটারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মুকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ এবং রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনিসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

© বিজয় বাংলা নিউজ
bijoybangla.news