রাবি ছাত্রদল সভাপতি : যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না

RU Chhatra Dal President
অনলাইন ডেস্ক ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫১ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫১ অপরাহ্ন
রাবি ছাত্রদল সভাপতি : যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে বলতে চাই, আপনারা দ্রুত এই উন্মাদের (সালাহউদ্দিন আম্মার) চিকিৎসা নিশ্চিত করুন। যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ধরে নেব এই উপাচার্য ও উপাচার্যদ্বয়ের নির্দেশেই সে তারেক রহমানের ব্যানার ছিড়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন-সংলগ্ন প্যারিস রোডে রাবি শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আম্মারের মানসিক চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী অভিযোগ করে বলেন, ‘৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর এক ওহীর মাধ্যমে এক জামায়াতপন্থি শিক্ষক উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই জামায়াতপন্থি উপাচার্যের পুত্র হিসেবে খ্যাত সালাহউদ্দিন আম্মার। সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। এই রকম মুনাফিক ছাত্রনেতা যখন ছাত্রসংসদের জিএস নির্বাচিত হয়, তখন তা আমাদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক। আজ যখন আমরা জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, তখন সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারলাম কথিত জিএস সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের দেশনেতার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে।’

তিনি বলেন, ‘কুত্তা পেটাতে হেডম লাগে না, টোকাই পেটাতে হেডম লাগে না। একটি দায়িত্বশীল দলের ছাত্রনেতা হিসেবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা ধৈর্য ধারণ করে আছি। কিন্তু যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না।’

মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নেছার উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘আজ আমরা দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে এই প্যারিস রোডে উপস্থিত হয়েছি। আমরা এই ক্যাম্পাসে আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমানের নামে একটি শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে ব্যানার টাঙিয়েছিলাম। কিন্তু একটি গোষ্ঠী তা মেনে নিতে না পেরে ছিঁড়ে ফেলেছে। গত ফ্যাসিস্টদের মতো তারা আমাদের জাতীয়তাবাদী দলকে নিঃশেষ করে দিতে চায়। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত এই ছেলেকে বিচারের আওতায় আনা হোক।’

মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিট ও হল শাখার প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।