আজ তারেক রহমান রাজশাহীতে আসছেন

Tariq Rahman
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫২ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫২ অপরাহ্ন
আজ তারেক রহমান রাজশাহীতে আসছেন
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহী আসছেন। এদিন রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিএনপির নির্বাচনি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি। তারেক রহমানের সফর ঘিরে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।প্রস্তত করা হয়েছে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রধানের রাজশাহী সফর ঘিরে রাজশাহীসহ তিনজেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে তিন লক্ষাধিক জনসমাগমের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

বিএনপির সিনিয়র নেতা ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২ টায় বিমানযোগে রাজশাহীর শহমখদুম বিমান বন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশে যোগ দেবেন। বেল পৌনে ২ টায় তিনি সমাবেশে ভাষন দেবেন। এরপর তিনি সড়কপথে নওগাঁ বাইপাসে এবং রাতে বগুড়ায় নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। 

মিনু বলেন, রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিএনপির প্রাণকেন্দ্র, এখানকার মানুষ ‘ধানের শীষ’ ছাড়া কিছু ভাবেই না। 

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা কয়েক লাখ মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে দীর্ঘ সময় পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে। দলীয় নেতারা মনে করেন, এই সমাবেশ রাজশাহী ও আশপাশের তিন জেলায় বিএনপির নির্বাচনি শক্তিকে ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করবে এবং ভোটারদের মধ্যে দলীয় মনোবল বাড়াবে। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

রাজশাহী বিভাগের ১৩টি আসনে এই বৃহৎ সমাবেশ দলটির জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জের প্রার্থীদের জন্য একযোগে এই মহাসমাবেশ বিএনপির ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে দল ও অঙ্গসংগঠন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

স্থানীয় নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের বক্তব্যে রাজশাহীর পদ্মা নদী, ঐতিহ্যের সিল্ক ও বরেন্দ্র অঞ্চলের পানি সংকটের সমাধান নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরতে পারেন। তাছাড়া এ অঞ্চলের পান, মাছ, আম নিয়েও তাঁর পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, ‘২২ বছর আগে ২০০৪ সালে তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজশাহী এসেছিলেন। তিনি তৃণমূলে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে মতবিনিময় করেছিলেন। তারপর আর আসা হয়নি। এতদিন পর তাকে আগমনকে ঘিরে আমরা সবাই উচ্ছ্বসিত।’

এদিকে তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ঘিরে ঐতিহাসিক মাদ্রসা মাঠ ছাড়াও নগরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার ও মুখপাত্র গাজীউর রহমান বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতা আসছেন। এ উপলক্ষে যতটুকু নিরাপত্তা গ্রহণ করা দরকার তা যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে