৩ বোনের আত্মহত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

একই স্বামীর ঘরে তিন বোন, তিন কন্যা ও এক মর্মান্তিক পরিণতি

Sensational information about the suicide of 3 sisters
অনলাইন ডেস্ক ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৬ অপরাহ্ন বিশ্ব/আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্ক ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৬ অপরাহ্ন
একই স্বামীর ঘরে তিন বোন, তিন কন্যা ও এক মর্মান্তিক পরিণতি
সংগৃহীত ছবি

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ১৬ বছরের কম বয়সী তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। এই ঘটনা ঘিরে শুরু হওয়া তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে বলে তদন্তকারা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। তারা বলেছেন, তদন্ত শুরুর পর তারা নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছে; যা এর আগে সামনে আসেনি।

তদন্তে দেখা যায়, ওই তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমার তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য সেগুলো বিক্রি করে দেন। এর পর থেকে তিন বোন তীব্র মানসিক চাপে ভুগছিলেন। চেতন কুমার সন্তানদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে কোরিয়ান কনটেন্ট অতিরিক্ত দেখার বিষয়টি জানিয়েছেন।

শেয়ারব্রোকার চেতন কুমারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২ কোটি রুপি। তিনি অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে পরিবার চালাচ্ছিলেন।

কী ঘটেছিল সেই রাতে? 

তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার রাতে কোরিয়ান বিনোদনের ব্যাপক ভক্ত ওই তিন কিশোরী তাদের মায়ের মোবাইল ফোন নেয়। তবে তারা যে কোরিয়ান অ্যাপ ও কনটেন্ট দেখতে চেয়েছিল, সেগুলোতে প্রবেশ করতে পারেনি।

নিশিকা (১৬), প্রাচি (১৪) ও পাখি (১২) নামের ওই তিন বোন অনলাইনে গেম খেলা কিংবা তাদের কোরিয়ান বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে পারেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। উত্তর প্রদেশ পুলিশের ফরেনসিক দলও বলেছে, মায়ের ফোনে কোনো কোরিয়ান কনটেন্ট অ্যাপে প্রবেশের প্রমাণ তারা পায়নি।

পুলিশ বলছে, চেতন কুমারের তিন স্ত্রী—সুজাতা (নিশিকার মা), হিনা (প্রাচি ও পাখির মা) এবং টিনা। এই তিন স্ত্রীই পরস্পরের জৈবিক বোন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মহত্যাকারী তিন কন্যা বাবার প্রতি বেশি আসক্ত ছিল। সম্ভবত সে কারণেই তারা সুইসাইড নোটে বাবাকেই সম্বোধন করেছে এবং কোথাও মায়ের নাম উল্লেখ করেনি।

হাতের লেখা সুইসাইড নোট ও বার্তাসহ আঙুলের ছাপ ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে; প্রতিবেদন এখনো আসেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, চেতন কুমারের তিন স্ত্রী—সুজাতা (নিশিকার মা), হিনা (প্রাচি ও পাকhiর মা) এবং টিনা। এই তিন স্ত্রীই আবার আপন বোন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মহত্যাকারী তিন কন্যা বাবার প্রতি বেশি আসক্ত ছিল। সম্ভবত সে কারণেই তারা সুইসাইড নোটে বাবাকেই সম্বোধন করেছে এবং কোথাও মায়ের নাম উল্লেখ করেনি।

হাতের লেখা সুইসাইড নোট ও বার্তাসহ আঙুলের ছাপ ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: এনডিটিভি