ইউএনওকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

UNO revokes order to dismiss officer who ordered arrest
বিজয়বাংলা নিউজডেক্স : ০৭ মে ২০২৬ ০৭:২২ অপরাহ্ন জাতীয়
বিজয়বাংলা নিউজডেক্স : ০৭ মে ২০২৬ ০৭:২২ অপরাহ্ন
ইউএনওকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার
প্রতীকী ছবি - বিজয়বাংলা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিমের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) অনুযায়ী ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. ইব্রাহিম প্রশাসন-১ শাখায় কর্মরত অবস্থায় গত বছরের ১৪-১৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি অনুমোদিত সময়ের আগেই কক্সবাজারে যান, যা সরকারি নির্দেশনার ব্যত্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উদ্দেশ্যে কন্তুরাঘাট এলাকায় তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।

অভিযোগের বিষয়ে তার লিখিত জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি পর্যালোচনা করে মন্ত্রণালয় অভিযোগকে প্রমাণিত বলে উল্লেখ করেছে। এরপর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী তাকে ‘অসদাচরণের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

তবে অভিযোগের গুরুত্ব ও সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনায় তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর জারি করা সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া তার সাময়িক বরখাস্তকাল কর্তব্যকাল হিসেবে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা তাসনিমকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিম। সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে যাত্রাবিলম্ব হওয়ার জেরে উত্তেজিত ওই পর্যটক নিজেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা’ দাবি করে ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ইউএনওকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।