ঈদের টানা ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই চিরচেনা যানজট

Empty Dhaka during Eid holidays
অনলাইন ডেস্ক ২৬ মে ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ন জাতীয়
অনলাইন ডেস্ক ২৬ মে ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ন
ঈদের টানা ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই চিরচেনা যানজট
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হতেই রাজধানী ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়েছে।--সংগৃহীত ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হতেই রাজধানী ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়েছে। গ্রামের বাড়িতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বিপুলসংখ্যক মানুষ এরইমধ্যে ঢাকা ছেড়েছেন। ফলে ব্যস্ত নগরী ঢাকার চিরচেনা যানজট ও কর্মচাঞ্চল্যে এখন অনেকটাই ভাটা পড়েছে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে গত ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন সোমবার থেকে অফিস-আদালত ও ব্যাংকের কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

ছুটির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, বনানী ও খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা এখন অনেকটাই নিরিবিলি। সাধারণ সময়ে যেসব সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজট দেখা যায়, সেসব সড়কের অধিকাংশই ছিল প্রায় ফাঁকা। কোথাও কোথাও বেশ কিছু যানবাহনের চলাচল থাকলেও রয়েছে স্বস্তি।

সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যাও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলোকে দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে যাত্রীর অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক বাসে আসন ফাঁকা রেখেই চলাচল করতে হয়েছে। বাসের চালক ও হেলপাররা বলছেন, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে বেশির ভাগ মানুষ রাজধানী ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো।

মিরপুর-উত্তরা রুটে চলাচলকারী প্রজাপতি পরিবহনের একটি বাসের হেলপার সুমন বলেন, অন্যসময় সকালে বাসে দাঁড়ানোরও জায়গা থাকে না। কিন্তু এখন যাত্রী অনেক কম। দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থেকেও বাস ভর্তি হচ্ছে না।

একই পরিবহনের আরেক হেলপার রাসেল বলেন, ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই যাত্রী কমে গেছে। মানুষ গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় এখন আগের মতো চাপ নেই।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদেরও বেশ স্বস্তিতে কাজ করতে দেখা গেছে। সড়কে গাড়ির চাপ কম থাকায় অধিকাংশ সিগন্যালেই তারা স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেক এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত চাপেরও মুখোমুখি হতে হয়নি তাদের।