স্বর্ণ-প্রসাধনীসহ দাম কমবে বিভিন্ন পণ্যের

Prices of various products including gold and cosmetics will decrease
অনলাইন ডেস্ক ১১ জুন ২০২৬ ০২:৫৪ অপরাহ্ন অর্থনীতি
অনলাইন ডেস্ক ১১ জুন ২০২৬ ০২:৫৪ অপরাহ্ন
স্বর্ণ-প্রসাধনীসহ দাম কমবে বিভিন্ন পণ্যের
--সংগৃহীত ছবি

আগামী অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি দিতে অনেক পণ্য ও সেবার ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, নারীদের পছন্দের স্বর্ণালংকার বিক্রিতে বর্তমানে ৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে, যা বিক্রির মূল্যের ওপর আদায় হয়। বাজেটে এটি পরিবর্তন করে ভরিপ্রতি আড়াই হাজার টাকা নির্দিষ্ট কর বসানো হতে পারে, ফলে স্বর্ণালংকারের দাম কমবে।

সিমকার্ড ও ই-সিম কার্ড সেবার জন্য ৩০০ টাকা সুনির্দিষ্ট কর ছিল, যা পরিবর্তন করে সিমের দামের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে। এর ফলে সিমের দামেও কমতি আসবে।

দেশে ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটরের উৎপাদনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে, যা কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হতে পারে। ফলে দেশি ফ্রিজের দাম কমবে। চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে, যা তাদের দাম কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।

মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্চুয়ারি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্যানসারের ৯ ধরনের ওষুধ আমদানিতে কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া হতে পারে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত বালাইনাশক উৎপাদনের ৩৬ ধরনের কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে।

ফ্রুটব্যাগ আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। সার ও কীটনাশকের সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে। সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ও ব্যাটারির কাঁচামাল উৎপাদন-আমদানিতে শুল্ক ও কর ছাড় দেওয়া হবে।

সেমি কন্ডাক্টর খাতের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ককর অব্যাহতির সুবিধা ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। টাগবোট আমদানিতে শুল্ক-কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। ১৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে নিয়ন্ত্রক শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে।

কম্পিউটার, প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি, কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশ করা হতে পারে। প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল সরবরাহের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ হতে পারে।

লোশন, ফেসক্রিম, ফেসওয়াশ আমদানিতে কেজিপ্রতি শুল্ক ২০ ডলার থেকে কমিয়ে ৭ ডলার করা হতে পারে, যা এসব পণ্যের দাম কমাতে সহায়ক হবে। ফ্লোট গ্লাসের ৫ ধরনের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ১৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। সিনথেটিক ওভেন ফ্যাব্রিক্সের ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে।

এছাড়া, দেশে উৎপাদিত ত্বক ফর্সাকারী প্রসাধনী সামগ্রী, সানস্ক্রিন বা স্যানট্যাগ সামগ্রী, হাত, নখ বা পায়ের প্রসাধনী সামগ্রী, পাউডার, লিপস্টিক ও আইলাইনারের দামও কমতে পারে।