বান্দরবানে টানা বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কায় নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং

Mikeng urges people to evacuate safely amid landslide fears
অনলাইন ডেস্ক ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৬:২৭ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৬:২৭ অপরাহ্ন
বান্দরবানে টানা বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কায় নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং
--সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো পার্বত্য জেলা বান্দরবানেও গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। 

এদিকে টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কা। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। 

অতিবৃষ্টির কারণে জেলা সদরের কালাঘাটা, বালাঘাটা, বনরুপা পাড়া, সিদ্দিক নগরসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আর সেই সঙ্গে কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় থেকে মাটি ভেঙে সড়কে জমে থাকায় পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

মাইকিং করে বলা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে (আজ দুপুর ১২টা থেকে) ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। যেহেতু অতি ভারী বর্ষণের ফলে ভূমি ধসের শঙ্কা রয়েছে তাই পাহাড়ের পাদদেশ ও চূড়ায় বসবাসরত সব জনসাধারণকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

জনসাধারণকে নিরাপদে সরে যেতে বলা হলো।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বিকেল ৩টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ১৩৫ মিলিমিটার অতিভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানান, গত দুদিন ধরে বান্দরবানে অতি বৃষ্টি রয়েছে, আর এ বৃষ্টিপাতের কারণে যাতে বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। 

তিনি আরও জানান, আমাদের সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। আর সেগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় সড়কের ওপর মাটি ও পাথর ধসে পড়ার কারণে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিভিন্ন সড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।