ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের নিয়ে পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন

Organizing a nutrition awareness program with stakeholders including students
নিজস্ব প্রতিনিধি:- ২৩ জুলাই ২০২৬ ০৬:৩৯ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজস্ব প্রতিনিধি:- ২৩ জুলাই ২০২৬ ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের নিয়ে পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন
ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জিংকসমৃদ্ধ ফসলের গুণগত মান বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জিংকসমৃদ্ধ ফসলের গুণগত মান বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার কাঠালডাঙ্গী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হারভেস্টপ্লাসের বাস্তবায়নে ‘রিয়েক্টস-ইন’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করে আরডিআরএস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউট্রি অ্যাগ্রিফিউশন আফ্রিকার (কেনিয়া) কান্ট্রি মানেজার পেনিনা মুওকি। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন হারভেস্টপ্লাস সল্যুশনসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মজিবর রহমান, প্রোজেক্ট ম্যানেজার শাহিনুল কবির, আরডিআরএসের হেড অব অ্যাগ্রিকালচার এনামুল হক ও টিম লিডার ডা. সালাহউদ্দীন।

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে দিনব্যাপী জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবারের গুণগত মান বিষয়ে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।


এসময় অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির সদস্যরা বলেন, “স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচি ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবারের গুণগত মান বিষয়ক এই আলোচনা সভাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বায়োফোর্টিফাইড বা জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবারের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছে। এ ধরণের আলোচনা কর্মসূচি দেশজুড়ে পরিচালনা করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক জানাশোনা আরও সমৃদ্ধ হবে।”

পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির পাশাপাশি, একইদিন প্রতিনিধি দল ঠাকুরগাঁওয়ে জিংকসমৃদ্ধ ধান থেকে চিড়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঊর্মি চিড়া মিল পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ জুলাই প্রতিনিধি দলটি জেলার ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) প্রধান কার্যালয়ে নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে জিংকসমৃদ্ধ খাদ্যের উপকারিতার বিষয়ে একটি আলোচনা সভা করেন। সভায় স্কুলের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, পুষ্টিবিদ, কৃষিবিদ ও চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।