সংস্কৃতির শক্তিতে প্রতিরোধের গান: রাজপথে সোচ্চার লেখক-শিল্পীরা

Songs of resistance through the power of culture
ছোটন সরদার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:৫২ অপরাহ্ন সারা বাংলা
ছোটন সরদার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:৫২ অপরাহ্ন
সংস্কৃতির শক্তিতে প্রতিরোধের গান: রাজপথে সোচ্চার লেখক-শিল্পীরা
রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বৈশ্বিক প্রভাবের মুখে দাঁড়িয়ে আবারও সোচ্চার ভূমিকা নিয়ে রাজপথে নেমেছেন দেশের লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

​রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বৈশ্বিক প্রভাবের মুখে দাঁড়িয়ে আবারও সোচ্চার ভূমিকা নিয়ে রাজপথে নেমেছেন দেশের লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা।শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘জাতীয় কনভেনশন’ শেষে রাজধানীর রাজপথে তাঁদের যে দৃপ্ত পদযাত্রা দেখা গেছে, তা কেবল একটি সাধারণ মিছিল ছিল না—ছিল জাতীয় স্বকীয়তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয়।

​আয়োজিত কনভেনশনে রাজনীতি ও সংস্কৃতির সেতু ঐক্যের ডাক, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য এর ব্যানারে ‘কণ্ঠ মোদের কুণ্ঠাবিহীন নিত্য-কালের ডাক’ স্লোগানকে উপজীব্য করে একত্রিত হয়েছেন দেশের সাংস্কৃতিক  প্রতিনিধিরা।

র্যালিতে  ব্যানার ও প্লাকার্ডের প্রধান দাবিগুলোর একটি ছিল সাম্রাজ্যবাদী বাণিজ্যিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে অবস্থান—বিশেষ করে ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল’-এর মতো রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রতিবাদ এতে প্রধান হয়ে ওঠে।

​ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়  এ দেশের যেকোনো রাজনৈতিক বাঁক বদল বা জাতীয় সংকটে সংস্কৃতিকর্মীরা সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এই সমাবেশ সেই ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতারই আরেক রূপ।রাষ্ট্রীয় রূপান্তর শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনে থমকে থাকে না, যদি না এর পেছনে সাংস্কৃতিক জাগরণ থাকে। লেখক ও শিল্পীদের এই সরব প্রতিবাদ স্পষ্ট করে দেয় যে, তাঁরা শুধু সাহিত্যের নন্দনতত্ত্বে সীমাবদ্ধ নন, দেশের নাগরিক অধিকার ও সার্বিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও সমভাবে সোচ্চার।