রাজশাহীতে ১৬ ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার

16 cocktails and four petrol bomb-like objects recovered
আবুল কালাম আজাদ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:৫৬ অপরাহ্ন আইন-আদালত
আবুল কালাম আজাদ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে ১৬ ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার
রাজশাহীতে ১৬ ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার

রাজশাহীর শাহমখদুম থানার তালপুকুরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬টি ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে এসআরবি-৫-এর সিপিএসসি কোম্পানির একটি অভিযানিক দল।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি আমবাগানের পুঁইশাকের ক্ষেত থেকে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-৫ সূত্রে জানা গেছে, তালপুকুরিয়া এলাকায় সিটিহাট থেকে কামালচত্বরগামী সড়কের পূর্ব পাশে নেসকো বিদ্যুৎ অফিসের দক্ষিণ দিকে একটি আমবাগানে সন্দেহজনক বোমাসদৃশ বস্তু পড়ে থাকার খবর পায় সিপিএসসি কোম্পানির একটি অভিযানিক দল। খবর পেয়ে দলটি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানিক দলের সদস্যরা দুটি শপিং ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে টর্চ ও সার্চলাইটের আলোয় এলাকাটি সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি করা হয়। পরে বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সহায়তায় শপিং ব্যাগ দুটি পরীক্ষা করা হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে সাদা রঙের একটি শপিং ব্যাগের ভেতর কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৬টি ককটেল পাওয়া যায়। অপর একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ থেকে চারটি পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এসব আলামত পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৫।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় মো. জাহাঙ্গীর মণ্ডলের চাষ করা পুঁইশাকের ক্ষেতের মধ্যে শপিং ব্যাগ দুটিতে এসব সন্দেহজনক বস্তু রাখা হয়েছিল। তবে কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এসব বস্তু সেখানে রেখে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

অভিযানিক দলের সদস্যরা উদ্ধার করা আলামতগুলো নিরাপদে জব্দ করেন। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ককটেল ও পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তুগুলো সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৫।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাটি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত গ্রহন করা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।