কীটনাশক প্রয়োগেও সুফল মিলছেনা,দুশ্চিন্তায় কৃষক
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় আমন ধানে পচন রোগের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় উদ্বেগে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আক্রান্ত জমিতে কৃষকরা রোগ দমনে কীটনাশক প্রয়োগ করছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে কয়েকটি মাঠ ঘুরে ধানগাছে রোগের লক্ষণ এবং কৃষকদের কীটনাশক স্প্রে করতে দেখা গেছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পানির সমস্যা তুলনামূলক কম থাকলেও সার ও পটাশের দাম বেশি ছিল। অতিরিক্ত খরচে চাষাবাদ করার পর এখন রোগের কারণে ফলন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কৃষকদের দাবি:-
কলমা ইউনিয়নের বলদীপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিম ও সাইফুলসহ কয়েকজন কৃষকের দাবি, বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও তারা কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছেন না। তাদের ভাষ্য, কোন কীটনাশক কার্যকর এবং কোনটি মানসম্মত—সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, রোগের বিষয়ে পরামর্শ নিতে মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (বিএস) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সব সময় তাদের পাওয়া যায় না। ফলে অনেক কৃষক স্থানীয় বিক্রেতাদের পরামর্শে কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
কৃষি বিভাগের বক্তব্য:-
তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, আমন ধানের রোগ দমনে মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত জমি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী করণীয় সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
পরিস্থিতি:-
কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম চালানোর কথা জানালেও কৃষকদের একটি অংশ আরও নিবিড় পরামর্শ ও আক্রান্ত জমি পরিদর্শনের প্রত্যাশা করছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, রোগের প্রকৃতি দ্রুত শনাক্ত করে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।