হার্ট ভালো রাখতে যেসব খাবারে নিয়ন্ত্রণ জরুরি

Foods that need to be controlled to keep the heart healthy
অনলাইন ডেস্ক ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:০৮ অপরাহ্ন লাইফস্টাইল
অনলাইন ডেস্ক ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:০৮ অপরাহ্ন
হার্ট ভালো রাখতে যেসব খাবারে নিয়ন্ত্রণ জরুরি
--সংগৃহীত ছবি

প্রতি বছর ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়। হৃদরোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করাই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের আগে দুর্বলতা, ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া ও হঠাৎ অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার মতো কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

পারিবারিক ইতিহাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসসহ বিভিন্ন কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত চর্বি, লবণ ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

 

হার্ট ভালো রাখতে যেসব খাবারে নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি


রেড মিট: গরু, খাসি বা অন্যান্য রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। অতিরিক্ত খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


তাই রেড মিট পরিমিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

লবণ ও চিনি: অতিরিক্ত লবণ ও চিনি খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফাস্ট ফুড ও অনেক প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণ ও চিনি বেশি থাকে। এসব খাবার কমিয়ে শাকসবজি, ফল, কম চর্বিযুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিন বেছে নেওয়া ভালো।


কোমল পানীয়: কোমল পানীয়তে সাধারণত প্রচুর যোগ করা চিনি থাকে। নিয়মিত অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই কোমল পানীয়ের পরিবর্তে পানি, লেবুপানি বা পরিমিত ডাবের পানি বেছে নেওয়া যেতে পারে।


ভাত, রুটি ও পাস্তা: এসব খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি হতে পারে। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ ও ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।


চানাচুর, বিস্কুট ও চিপস: নাস্তা হিসেবে নিয়মিত চানাচুর, বিস্কুট, ঝুরিভাজা ও চিপস খাওয়ার অভ্যাসেও অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ক্যালোরি গ্রহণ হতে পারে। এসব খাবার কমিয়ে স্বাস্থ্যকর নাস্তা বেছে নেওয়া ভালো।


হার্টের সুস্থতার জন্য শুধু নির্দিষ্ট কিছু খাবার বাদ দেওয়াই নয়, বরং সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ। বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম কিংবা হঠাৎ দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।