পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
শীতকালীন পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জমি প্রস্তুত ও পেঁয়াজ রোপণের কাজ। বীজের দাম কিছুটা কম থাকায় স্বস্তিতে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পীরগঞ্জ উপজেলায় ২ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকরা জমি প্রস্তুত করে পেঁয়াজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভালো ফলন ও বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় প্রতিবছরই এ পেঁয়াজের আবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
পৌর এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও পেঁয়াজ চাষ করছি। পরবর্তী সময়ে সার না পেলে আবাদ ভালো হবে না।
অপর কৃষক রানু মিয়া বলেন, মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করছি। ফলন ভালো হলে এবং বাজারে দাম ভালো পেলে লাভবান হতে পারব। আরেক কৃষক সুলতান মাহমুদ বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না হলে দেশীয় পেঁয়াজের ভালো দাম পাওয়ার আশা রয়েছে।
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুজন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা মাঠে চাষ করতে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে আমরা কৃষকের পাশে থাকব।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। এ নিয়ে কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, পরিপক্ব পেঁয়াজ বিশেষ উপায়ে কন্দপদ্ধতিতে রোপণ করা হয়। এর মাধ্যমে পরিপক্ব পেঁয়াজের মূল থেকে নতুন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এ কারণে এটিকে মূলকাটা পেঁয়াজ বলে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এটি ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ’ নামেই বেশি পরিচিত।
সূত্র : বাসস