প্রকাশিত প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে আপত্তিজ্ঞাপন ও যুক্তিখন্ডন

Objections and rebuttals to published objections
বিজয় বাংলা ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন আইন-আদালত
বিজয় বাংলা ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

গত ০৬-১২-২৩ ইং তারিখে ‘সভাপতি সম্পাদক আন্তদ্বন্দ্বে রাজশাহী স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা দুর্ভোগে’ শিরোনামে দৈনিক উপচার ও দৈনিক নতুন প্রভাত পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে ০৭-১২-২০২৩ ইং তারিখে দৈনিক উপচার পত্রিকায় প্রতিবাদকারী ব্যক্তি সফিকুল ইসলাম ডাবলু যে প্রতিবাদ দিয়েছে সেটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবাদটি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দোষ আড়াল করার একটি অপপ্রয়াস বলেই আমার ধারণা। প্রকাশিত প্রতিবাদটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মনগড়া। এছাড়াও উক্ত প্রতিবাদে প্রতিবাদকারী বেশকিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু সংযুক্ত করে পরিকল্পিতভাবে বাজুস রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতিকে সমাজের কাছে হেয়প্রতিপন্ন ও সম্মানহানী ঘটানোর অপচেষ্টা করেছেন। যা শুধুমাত্র প্রকৃত অপরাধকে আড়াল করে সত্য ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার একটি অপচেষ্টা।

উক্ত সংবাদে বাজুস রাজশাহী জেলা শাখার সেক্রেটারি সফিকুল ইসলাম ডাবলু পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবাদে সভাপতি সম্পর্কে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর মতো মিথ্যাচার করে উস্কানীমূলক মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছেন। প্রকাশিত উক্ত প্রতিবেদনটির কোথাও আমরা জাতিগত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বিষয়টির কথা লিখা দেখিনি। তাহলে কোন অভিপ্রায় নিয়ে সেক্রেটারি সাহেব তার দেয়া প্রতিবাদে সভাপতিকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মতো মিথ্যাচার প্রকাশ করলেন। সংবাদে যে বিষয়টির বিন্দুমাত্র উল্লেখ্য নেই, সেই বিষয়টি প্রতিবাদে উল্লেখ্য করার কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই। সাধারণ সম্পাদক ডাবলু পত্রিকায় যে প্রতিবাদ দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মনগড়া ও সাজানো ভাষ্য। সদস্যদের দেয়া মাসিক চাঁদা কোষাধ্যক্ষ সাহেব নিজের কাজে ব্যবহার করেন বলে যে অভিযোগ উক্ত প্রতিবাদে তিনি বলেছেন সেটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও তথ্য-উপাত্তহীন একটি বক্তব্য। কোষাধ্যক্ষ সাহেব একজন সুনামধন্য ব্যবসায়ী। বর্তমান কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব নেবার পর থেকে প্রত্যেকটি হিসেব তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ঠিক রেখেছেন বলেই আমরা জানি। নির্বাচনের প্রতিষ্ঠাবার্র্ষিকী পালনের জন্য সদস্যদের নিকট হতে বর্তমান সেক্রেটারি ডাবলু ও তার লোকজন ব্যবসায়িদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন। কিন্তু উক্ত প্রতিবাদে তিনি উল্টো সভাপতি সাহেবের উপর মিথ্যা অভিযোগ চাঁপিয়ে দেবার অপচেষ্টা করছেন।

উক্ত প্রতিবাদে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম অপুর বিরুদ্ধেও মিথ্যাচার করেছেন প্রতিবাদকারী ও অভিযুক্ত সেক্রেটারি ডাবলু। সাবেক কোষাধ্যক্ষ দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সুনামের সহিত এই পদে আছেন। তিনি সাতবারের নির্বাচিত প্রতিনিধি। উনার সততার জন্য কেন্দ্র থেকে সাবেক কোষাধ্যক্ষ অপুকে রাজশাহী জেলার মনিটরিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি সর্বশেষ ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত কার্যালয়ের সকল হিসেব নিকেষ প্রত্যেক সদস্য ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের সামনে যথার্থভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। তার হিসেবে কোন প্রকার গড়মিল ছিলনা বা নাই। সমাজের দর্পণ বলে বিবেচিত সাংবাদিক মহল ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা উক্ত ঘটনার আড়ালে  কোন কোন ব্যক্তি, নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সদস্য প্রকৃতপক্ষে অপকর্ম করছে তা যাচাই করে দেখতে পারেন। সভাপতি সাহেব সবাইকে সাথে নিয়ে সততার সাথে কার্যালয় চালাতে চান।

উল্লেখ্য, তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে গত ০৪-১২-২০২৩ ইং তারিখে রাতের বেলায় কাউকে না জানিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে সেক্রেটারি ডাবলু রাজশাহী জেলা শাখার বাজুস কার্যালয়ের অফিসকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যা সংগঠন পরিপন্থি ও বেআইনী কর্মকান্ড। এই অপকর্ম আর পেশিশক্তির অপপ্রয়োগের প্রতিবাদে পরেরদিন স্বর্ণকার পট্টির ব্যবসায়ীরা কয়েকঘন্টা নিজ নিজ দোকান বন্ধ রাখেন।

উল্লেখ্য থাকে যে, সভাপতি সাহেব কোন হিন্দু বা মন্দিরের যায়গা দখল করেনি। তিনি মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ডিক্রি প্রাপ্ত হন। উক্ত সম্পত্তিটি প্রায় ৪০ বছর আগে ক্রয় করা সম্পত্তি। 


প্রতিবাদকারী

মোঃ মানিক

মোঃ আশরাফুল ইসলাম (অপু)

মোঃ রায়হান