১৬৩ বছরের শোষন বঞ্চনার অবসান চায় রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ

আবুল কালাম আজাদ:- ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:০৬ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
আবুল কালাম আজাদ:- ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:০৬ অপরাহ্ন
১৬৩ বছরের শোষন বঞ্চনার অবসান চায় রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ
বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা বৃটিশ শাসনামল থেকে শোষিত ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা বৃটিশ শাসনামল থেকে  শোষিত ও  বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। 

তারা ১৬৩ বছর আগে বৃটিশদের চাপিয়ে দেয়া বৈশম্যমূলক এই আইনের অবসান চায় রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ।

তারা বোলছেন,১৬৩ বছর ধরে প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। গেজেটেড ছুটি, কর্মঘণ্টা নির্ধারণসহ নানাবিধ বৈষম্য দীর্ঘদিনের। ভবিষ্যতে রেলওয়ের আইন সংশোধন হলে সেই আলোকে প্রকৌশল বিভাগের ছুটি ও কর্মঘণ্টা এবং বৈষম্যমূলক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।যাতে পরবর্তী প্রজন্মের কর্মচারীরা এর সুফল ভোগ করতে পারে।” এমনটাই তাদের দাবি প্রত্যাশা।

প্রকৌশল কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির ১২ দফা দাবির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুই দফা—গেজেটেড ছুটি ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণ সংক্রান্ত সুপারিশ দ্রুত চূড়ান্ত করে মহাপরিচালক বরাবর প্রেরণের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।তবে নির্ধারিত সময়ে তাদের দাবির সুপারিশ গুলো প্রেরণ না হওয়ায় সংগঠনের প্রতিনিধিরা রেল ভবনে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন।

গত রবিবার(২৫ জানুয়ারি)  এ বিষয়ে প্রকৌশল বিভাগের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন উপ-পরিচালক (প্রকৌশল) গৌতম বিশ্বাস এবং সাবেক যুগ্ম মহাপরিচালক (প্রকৌশল) আসাদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় গৌতম বিশ্বাস জানান, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের এডিশনাল ট্র্যাক দ্বয়ের নিকট সুপারিশটি ইতোমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এডিজি (অবকাঠামো) বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরাসরি তদারকি করছেন।

এ সময় সাবেক যুগ্ম মহাপরিচালক আসাদুল হক বলেন, সুপারিশ গুলো  ৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির স্বাক্ষর গ্রহণের পর আগামী রবিবার ও সোমবারের(১ও ২ ফেব্রুয়ারি)  মধ্যে মহাপরিচালক বরাবর প্রেরণ করা হবে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বলেন, “স্যারদের আশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখে আমরা ধৈর্য ধারণ করে আসছি। তারপরও অনুরোধ থাকবে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই যেন সুপারিশটি ত্রুটিমুক্তভাবে প্রদান করা হয়। অন্যথায় আমরা পরবর্তী সপ্তাহে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।”

অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, “১৬৩ বছর ধরে প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। গেজেটেড ছুটি, কর্মঘণ্টা নির্ধারণসহ নানাবিধ বৈষম্য দীর্ঘদিনের। ভবিষ্যতে রেলওয়ের আইন সংশোধন হলে সেই আলোকে প্রকৌশল বিভাগের ছুটি ও কর্মঘণ্টা এবং বৈষম্যমূলক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পরবর্তী প্রজন্মের কর্মচারীরা এর সুফল ভোগ করতে পারে।”তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই রেল ভবন থেকে সুপারিশটি দ্রুত মহাপরিচালক বরাবর প্রেরণ করা হবে—এমনটাই সংগঠনের প্রত্যাশা।