অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন

Writ filed in High Court to stop propaganda against unregistered online portals
অনলাইন ডেস্ক ২৩ জুন ২০২৬ ১০:২৮ অপরাহ্ন জাতীয়
অনলাইন ডেস্ক ২৩ জুন ২০২৬ ১০:২৮ অপরাহ্ন
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। --সংগৃহীত ছবি

অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধ ও আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ‎ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে হাইকোর্টে এ রিট আবেদন করা হয়।

‎সোমবার (২২ জুন) আবেদন করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এসএম জুলফিকার আলী জুনু।

রিট পিটিশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন প্রধান ও সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে।

‎আবেদনকারী আইনজীবী এস. এম. জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তবে মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। রিট আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং পূর্বে দাখিলকৃত প্রতিনিধিত্বপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।’ ‎ ‎আবেদনে বলা হয়, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল সংবাদ প্রচার করছে। যেসব সংবাদের কোনো ভিত্তি নেই। তারা কোন মহলের স্বার্থ হাসিলের জন্য এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে। যা সামাজিক অবক্ষয় তৈরি হয়। এসব অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ফেইসবুক পেইজ বন্ধের জন্য আমরা রিট পিটিশনের আবেদন করেছি। ‎ ‎আবেদনে আরও বলা হয়, আবেদনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করে লিখিত আবেদন দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। ফলে জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।