ইসরায়েল

ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি

16 fighter jets
অনলাইন ডেস্ক ০৮ মার্চ ২০২৬ ১২:০৯ অপরাহ্ন বিশ্ব/আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্ক ০৮ মার্চ ২০২৬ ১২:০৯ অপরাহ্ন
ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি
ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। __সংগৃহীত ছবি

ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আজ রোববার এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কুদস বাহিনীর।

গতকাল শনিবার রাতে ইরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ)। সেই অভিযানেই বিমনগুলো ধ্বংস হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

এ প্রসঙ্গে ইরান কিংবা আইআরজিসির পক্ষ থেকে এখনও কোনো দাপ্তরিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।

কুদস বাহিনী বা কুদস ব্রিগেড আইআরজিসির বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিগেড। নিয়মিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা দায়িত্বের পাশপাাশি হিজবুল্লাহ, হামাস-সহ মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করাও কুদস ফোর্সের বিশেষ দায়িত্ব।

মেহরাবাদ বিমানবন্দরটিও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি কেবল কুদস ব্রিগেডের ব্যবহারের জন্য এবং এই বিমানবন্দর দিয়েই সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও রসদ সহায়তা প্রদান করে কুদস ফোর্স।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের গত ৮ দিনে ইরানের নৌবাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইসরায়েল মনোযোগ দিয়েছে ইরানের বিমানবাহিনীর দিকে।

সূত্র : এএফপি