রাজশাহীতে পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপির মতবিনিময়, মাদক ও সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’ পুনর্ব্যক্ত

ছোটন সরদার ২৭ মার্চ ২০২৬ ০৮:০৯ অপরাহ্ন সারা বাংলা
ছোটন সরদার ২৭ মার্চ ২০২৬ ০৮:০৯ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপির মতবিনিময়, মাদক ও সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’ পুনর্ব্যক্ত
--সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীতে পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপির মতবিনিময়, মাদক ও সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’ পুনর্ব্যক্ত।রাজশাহী, ২৭ মার্চ—রাজশাহী বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভা ও পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট থেকে ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী রেঞ্জ ও আরএমপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম (বিপিএম, পিপিএম), অতিরিক্ত আইজিপি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) সরদার নুরুল আমিন (বিপিএম), রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান (পিপিএম-বার, পিএইচডি), আরএমপির পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিললুর রহমান এবং রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইজিপি। তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। উগ্র-সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আইজিপি আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও বিদেশি বিনিয়োগ অনেকাংশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। তাই পুলিশ বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নিশ্চিত করা।

তিনি উল্লেখ করেন, গত জুলাই-আগস্টের পর কিছু সিদ্ধান্তের কারণে পুলিশের মনোবল কমে গিয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করছে। এ সময় তিনি দাবি করেন, নানা সমালোচনার মধ্যেও পুলিশ বাহিনী দেশের ইতিহাসে অন্যতম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে।

দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করে আইজিপি তার বক্তব্য শেষ করেন।