হামিদ হলের কক্ষে আগুনের সূত্রপাত,শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

The beginning of the riot in the room of Hamid Hall
রুয়েট প্রতিনিধি ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:১৪ অপরাহ্ন সারা বাংলা
রুয়েট প্রতিনিধি ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:১৪ অপরাহ্ন
হামিদ হলের কক্ষে আগুনের সূত্রপাত,শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) আবাসিক হল শহীদ আব্দুল হামিদ হলের একটি কক্ষে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) আবাসিক হল শহীদ আব্দুল হামিদ হলের একটি কক্ষে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে শিক্ষার্থীদের দ্রুত পদক্ষেপে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৪টা নাগাদ হামিদ হলের ৩১৬নম্বর কক্ষ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এতে পাশের কক্ষের শিক্ষার্থীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সে সময় কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিল এবং ভেতরে কেউ অবস্থান করছিলেন না। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে হলের শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করেন।

পরে হলের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে তারা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ অমি জানান,"প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ল্যাপটপের কীবোর্ডে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে কক্ষের কিছু বই পুড়ে গেলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।"

সংশ্লিষ্টরা জানান, হলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র প্রস্তুত থাকায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে দুর্ঘটনা এড়াতে রুয়েট প্রশাসনের তদারকির পাশাপাশি নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে শিক্ষার্থীদের আরো বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড রবিউল ইসলাম সরকার। 

কক্ষটির বাসিন্দাদের একজন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল ইমরান জানান,"ঘটনার সময় আমরা রুমে ছিলাম না, কিছু সময়ের জন্য বাইরে গেছিলাম। পরে এসে জানতে পারি আগুন লেগেছে। ফ্যান এবং ল্যাপটপের লাইনের সংযোগে সর্ট-সার্কিটের কারণে আগুন লাগতে পারে। ল্যাপটপের এক্সট্রা কিবোর্ড আর কিছু বই পুড়ে গেছে। এছাড়া আর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি"

ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আবাসিক হলগুলোতে বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি উঠেছে।