আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট কর্তৃক ১০১ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারঃ যাচাই বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

Handover to the real owners after verification
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২১ মে ২০২৬ ০৬:০৯ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২১ মে ২০২৬ ০৬:০৯ অপরাহ্ন
আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট কর্তৃক ১০১ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারঃ যাচাই বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর
আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট কর্তৃক ১০১ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারঃ যাচাই বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

আজ বৃহস্পতিবার ২১ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তর সভাকক্ষে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উদ্যোগে উদ্ধারকৃত হারানো মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় মোট ১০১টি হারানো মোবাইল ফোন শনাক্ত ও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ কমিশনার আজ এসব উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেন। উল্লেখ্য, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলো শুধু রাজশাহী মহানগরী এলাকা থেকেই নয়, বরং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আরএমপির ১২ টি থানায় দায়েরকৃত সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট এসব মোবাইল ফোন শনাক্ত ও উদ্ধার করে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার বলেন, হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়া নিঃসন্দেহে অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। এটি প্রমাণ করে যে পুলিশ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে, যার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হলো উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।

 তিনি আরও বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ মহানগরীর সম্মানিত নাগরিকদের সেবা দিতে সর্বদা আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের স্বার্থ ছাড়াই, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং জনসেবার মনোভাব নিয়েই পুলিশ সব ধরনের সেবা প্রদান করে যাবে।

মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে মালিকগণ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাদের মতে, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু হারানো মোবাইল ফোনই উদ্ধার হয়নি, বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে। ভবিষ্যতেও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এ ধরনের মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো: ফারুক হোসেন; আরএমপির মূখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো: গাজিউর রহমান, পিপিএমসহ আরএমপির অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ।