রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবিতে হাসপাতাল ঘেরাও

In the case of the rape of the patient's mother
অনলাইন ডেস্ক ১১ জুন ২০২৬ ০৬:১১ অপরাহ্ন সারা বাংলা
অনলাইন ডেস্ক ১১ জুন ২০২৬ ০৬:১১ অপরাহ্ন
রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায়  অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবিতে হাসপাতাল ঘেরাও
--সংগৃহীত ছবি

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশু রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার ও অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে হাসপাতাল ঘেরাও করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে স্থানীয় জনতা ও নারী রোগীদের স্বজনরা। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা হাসপাতালের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিয়ে আরএমও ডা. মাহবুবুর রহমানের অপসারণ দাবি করে স্লোগান দিতে থাকেন।

এতে হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ প্রধান ফটক খুলে দেয়। এ সময় প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেষে চলে যান বিক্ষোভকারীরা। 

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তারা সমাবেশ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে তারা যাতে ছাড় না পায় সে ব্যাপারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। 

বিক্ষোভকারীরা জানান, একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এমন জঘন্য ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও আরএমও-র সম্পৃক্ততা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও ভুক্তভোগীর পরিবার।

উল্লেখ্য, গত ৭ জুন রাতে হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মায়ের সঙ্গে ধর্ষণের মতো অমানবিক ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে এবং ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করে।