হরমুজে আটকে ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা : আইএমও

Announcement to evacuate more than 11,000 sailors
অনলাইন ডেস্ক ২৪ জুন ২০২৬ ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন শীর্ষ খবর
অনলাইন ডেস্ক ২৪ জুন ২০২৬ ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
হরমুজে আটকে ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা : আইএমও
হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)।--সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের সময় হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)।

আইএমওর মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গুয়েজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

ডোমিঙ্গুয়েজ বলেন, সংঘাত চলাকালে অন্তত ১৪ জন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ওমান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের সহযোগিতায় বৃহৎ পরিসরে উদ্ধার ও স্থানান্তর অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগ দেখিয়ে দেয় যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর কার্যক্রমকে কতটা ব্যাহত করেছে। এর ফলে হাজার হাজার বেসামরিক নাবিক দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে আটকে পড়েন।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। বিশেষ করে ইরানের ট্যাংকার থেকে টোল আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, হরমুজ একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং কোনো দেশ সেখানে টোল বা ফি আরোপ করতে পারে না।

আইএমওর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ওই অঞ্চলে প্রায় ৬০০ জাহাজ আটকে রয়েছে।

এক বিবৃতিতে ডোমিঙ্গুয়েজ বলেন, হাজার হাজার নাবিকের দীর্ঘ দুর্ভোগ ও বিশ্বব্যাপী নেতিবাচক প্রভাবের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত শান্তি চুক্তিকে তিনি স্বাগত জানান। তার মতে, এটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক জাহাজের ওপর হামলা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

অন্যদিকে সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন কিয়েস বাকেন্স জানান, তেল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত জাহাজগুলো ইতোমধ্যে আবার হরমুজ প্রণালীতে ফিরতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ওমান সরকারের নির্দেশনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালী অতিক্রম করানোর জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে।

বাকেন্সের মতে, সম্ভাব্য টোল আদায়ের বিষয়টি উদ্ধার ও স্থানান্তর কার্যক্রমে বড় কোনো বাধা হবে না। তবে প্রণালীতে অবশিষ্ট মাইন এখনো উদ্বেগের কারণ। তারপরও ওমানের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নাবিকদের মধ্যে আস্থা তৈরি করবে বলে তিনি মনে করেন।

সূত্র: বিবিসি