ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ব্যাহত জনজীবন, প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

Public life disrupted by hours of load shedding
অনলাইন ডেস্ক ২৮ জুন ২০২৬ ০৮:১৫ অপরাহ্ন অর্থনীতি
অনলাইন ডেস্ক ২৮ জুন ২০২৬ ০৮:১৫ অপরাহ্ন
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ব্যাহত জনজীবন, প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন
ঝালকাঠিতে তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। --সংগৃহীত ছবি

ঝালকাঠিতে তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। রোববার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও অনিয়ম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মানববন্ধনটির আয়োজন করে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘ঝালকাঠি মানব কল্যাণ সোসাইটি’। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক দুলাল সাহা, দৈনিক দূরযাত্রার সম্পাদক ও ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি জিয়াউল হাসান পলাশ, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম জলিল এবং সিপিবির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত দাস হরি, উজ্জ্বল রহমানসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঝালকাঠি জেলাজুড়ে দিন-রাত ঘন ঘন লোডশেডিং চলছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানও কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যায় পড়ছে।

তারা আরও বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকটের পাশাপাশি স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহক হয়রানি, নানা প্রশাসনিক অনিয়ম এবং ভূতুড়ে বিলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব সমস্যার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে ঘন ঘন লোডশেডিং বন্ধ করে ঝালকাঠিতে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত, বিদ্যুৎ অফিসের সব ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ এবং গ্রাহকদের হয়রানি ও অতিরিক্ত বিল প্রদান বন্ধ করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।