মেসিদের অর্জন উদযাপনে আর্জেন্টিনায় ছুটি ঘোষণা
লিওনেল মেসিরা কি দেশে ফিরবেন নাকি যুক্তরাষ্ট্র থেকে যার যার ক্লাবের উদ্দেশে রওনা করবেন, সেটি তখনও নিশ্চিত হয়নি। তবে সমর্থকদের উন্মাদনা এবং খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার এই অর্জনকে স্বীকৃতি ও উদযাপনের লক্ষ্যে ছুটি ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) বলছে, সব ফুটবলার এখন দেশে ফিরবেন না।
নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেছে লিওনেল মেসির দল। তাকে ঘিরে পুরো টুর্নামেন্টে সতীর্থরা বিজয় উৎসবে মাতলেও, ফাইনালে সেই সুযোগ দেয়নি স্প্যানিশরা। নিয়ন্ত্রিত ও পজেশন নির্ভর ফুটবলের পাশাপাশি একের পর এক আক্রমণে তারা এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পুরোদমে ব্যস্ত রেখেছিল। এরপর ১০৬ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই গোল।
রানার্সআপ হওয়া আর্জেন্টিনা দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার মিলেই। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘তোমাদের অনেক ধন্যবাদ, খেলোয়াড়রা। একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা লড়েছি। আর্জেন্টিনা সবসময় উঁচুতেই থাকবে।’
পরবর্তীতে আরেকটি বার্তায় আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা দেশে ফেরার দিন ছুটি ঘোষণার কথা জানান মিলেই, ‘বিশ্বসেরা উদ্যাপন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অর্জনের উদ্যাপন নিয়ে সবার আগ্রহ দেখে আমি জানাচ্ছি যে, খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফরা উদ্যাপনের জন্য যে দিনটি বেছে নেবেন, সেই দিনটিকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হবে।’
আলবিসেলেস্তে প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পরই ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ফাইনালের পর দলের কিছু খেলোয়াড় তাদের ক্লাবে যোগ দিতে বা ছুটি কাটাতে আমেরিকা থেকেই সরাসরি নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাবেন। খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং অন্যান্য সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত দলের বাকি অংশটি আগামীকাল (স্থানীয় সময়) সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টায় আর্জেন্টিনায় পৌঁছাবে।’ ফলে প্রেসিডেন্টের ছুটি ঘোষণার বিষয়টি আবার বিবেচনা করা হয় কি না সেটাই দেখার বিষয়!