তোপের মুখে সুর নরম করলেন মোদি, দিলেন বিশেষ ঘোষণা

Narendra Modi
অনলাইন ডেস্ক ২৩ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৪ অপরাহ্ন বিশ্ব/আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্ক ২৩ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৪ অপরাহ্ন
তোপের মুখে সুর নরম করলেন মোদি, দিলেন বিশেষ ঘোষণা
--সংগৃহীত ছবি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ চেয়েছে বিরোধী দলগুলো। এর মাঝেই প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালতে মামলা পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে রাজধানীর ১৬টি মেট্রো স্টেশন আবারও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মোদি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও ক্ষমা দাবি করেছেন।

অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হওয়ার একদিন পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। 

বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করতে বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করে।

বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম।

এর আগে বুধবারও (২২ জুলাই) একই স্টেশনগুলো কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে সেগুলো খুলে দেওয়া হলেও বিক্ষোভস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় বৃহস্পতিবার আবারও স্টেশনগুলো বন্ধ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে এবং বিকল্প হিসেবে ট্যাক্সি ব্যবহার করতে দেখা গেছে।